Exam - 52 General Knowledge: Topic: National Issues of Bangladesh, Resources of Bangladesh, Economic Issues of Bangladesh. i) বাংলাদেশের পরিবেশ: প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ ii) শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, কৃষির উপর বিভিন্ন সমীক্ষা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ iii) শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। iv) উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। v) অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট
১) What was the total value of goods imported into Bangladesh in the fiscal year 2024–25?
- US$ 51 billion
- US$ 71 billion
- US$ 65.14 billion
- US$ 61 billion
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৬১ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে,
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ৭ শতাংশ কম।
- আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ৫১৪ কোটি ডলারের পণ্য।
- তবে পরিমাণের দিক থেকে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে আমদানি বেড়েছে।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন ৫০টি শুল্ক স্টেশনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খালাস হওয়া পণ্যের তথ্য পর্যালোচনা করে আমদানির এই চিত্র পাওয়া গেছে।
⇒ এনবিআরের তথ্যভান্ডার অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল, দেশীয় শিল্পের কাঁচামাল, মূলধনি যন্ত্রপাতিসহ দেশে প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়, এ রকম অনেক পণ্য আমদানি হয়েছে।
- এ ক্ষেত্রে অবশ্য স্থানীয় আমদানি ও নমুনা আমদানি বাদ দেওয়া হয়েছে।
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।
২) Approximately what percentage of Bangladesh's domestic demand for medicines is met by local pharmaceutical companies?
- 85%
- 90%
- 95%
- 98%
ওষুধ শিল্প:
- বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল বা ওষুধ শিল্প বর্তমানে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ পূরণ করে।
- স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত জেনেরিক ওষুধ দেশের চাহিদার সিংহভাগ মেটাচ্ছে এবং বাকি ২ শতাংশ মূলত আমদানিকৃত বিশেষায়িত ওষুধ।
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- আশির দশকের শুরুর দিকে ওষুধ খাতে আমূল পরিবর্তন আনে ১৯৮২ সালের জাতীয় ওষুধনীতি। এতে বহুজাতিক কোম্পানির একচেটিয়া দাপট কমে আসে, গুণগত মান ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের মাধ্যমে দেশীয় কোম্পানিগুলো ধীরে ধীরে আস্থা অর্জন করতে থাকে। গত চার দশকে দেশে ওষুধের অভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রায় সম্পূর্ণটাই স্থানীয়ভাবে পূরণ হচ্ছে। একই সঙ্গে এ খাত রপ্তানিমুখী শিল্প হিসেবেও বিকশিত হয়েছে।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতির মাধ্যমে ১৭৭টি অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকর ওষুধ নিষিদ্ধ করা হয় এবং ১১৭টি মৌলিক ওষুধের একটি জাতীয় তালিকা প্রণয়ন করা হয়। এই নীতির প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (প্রয়াত)।
• বর্তমানে বাংলাদেশ ১৫৭টির বেশি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে। শীর্ষ ১০টি গন্তব্য হলো- মিয়ানমার, যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, কেনিয়া, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও নেপাল।
- বাংলাদেশে ওষুধের ৯৫ শতাংশ দেশেই উৎপাদিত হলেও প্রায় ৯০ শতাংশ কাঁচামাল আমদানিনির্ভর। ২০০৮ সালে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ২০০ একর জমিতে 'এপিআই শিল্পপার্ক' গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ১৭ বছর পরও অগ্রগতি খুবই সীমিত; বরাদ্দ ৪২ প্লটের মধ্যে মাত্র ২টি প্রতিষ্ঠান উৎপাদন শুরু করেছে। বাকিগুলো অবকাঠামোগত সমস্যা, গ্যাস-বিদ্যুৎ ঘাটতি ও ছাড়পত্র জটিলতায় স্থবির।
- বর্তমানে ৪০টির বেশি এপিআই দেশেই তৈরি হলেও তা মোট চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ।
উৎস: i) MedEx.
ii) যুগান্তর।
৩) The proposed Bhutanese Special Economic Zone is planned to be established in which district of Bangladesh?
- Kurigram
- Lalmonirhat
- Nilphamari
- Rangpur
ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- 'ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কুড়িগ্রাম জেলায় অবস্থিত।
- ২০২৩ সালে লন্ডনে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে ভুটানের রাজা কুড়িগ্রাম জেলায় একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এর প্রেক্ষিতে, ভুটানি বিনিয়োগকারীদের জন্য কুড়িগ্রামে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের মধ্যে যোগাযোগ শুরু হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় মাধবরাম মৌজায় 'কুড়িগ্রাম অর্থনৈতিক অঞ্চল-১' স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। পরবর্তীতে ভুটানের রাজার আগ্রহের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে জিটুজি (সরকার-টু-সরকার) যৌথ উদ্যোগের অধীনে বেজা উক্ত স্থানে একটি 'ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করে।
- এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটি প্রতিষ্ঠার জন্য বেজার অনুকূলে ১৫০.০৭ একর খাস জমি এবং ৬৯.৫৭ একর ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি বরাদ্দ বা অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত বেজা উক্ত মৌজায় ১৩৩.৯২ একর জমির মালিকানা লাভ করেছে। এছাড়া, একই মৌজায় আরও ৬১.৮৭একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
- বর্তমানে 'ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'-এর জন্য ভুটান সরকার কর্তৃক দ্রুত ডেভেলপার কোম্পানি নিয়োগ এবং যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের ১ম সভা বেজা কর্তৃক আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
৪) The Ramsar Site "Tanguar Haor" is primarily known for its:
- Wildlife sanctuary for tigers
- Wetland ecosystem and migratory birds
- Coral reef ecosystem
- Mineral resources
টাঙ্গুয়ার হাওর:
- সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর স্থানীয় লোকজনের কাছে 'নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল' নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম হাওর টাঙ্গুয়ার হাওর।
- টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলাধীন ১০টি মৌজা নিয়ে বিস্তৃত একটি হাওর।
- এ হাওরটিতে ছোটবড় ১২০টি বিল রয়েছে।
- ৪৬টি গ্রামসহ পুরো হাওর এলাকার আয়তন প্রায় ১০০ বর্গ কিমি, এর মধ্যে ২৮০২.৩৬ হেক্টর জলাভূমি রয়েছে।
- প্রতি বছর এখানে প্রায় ২০০ প্রজাতির অতিথি পাখির আগমন ঘটে।
- এখানে ১৪০টিরও বেশি প্রজাতির স্বাদুপানির মাছ পাওয়া যায়।
- টাঙ্গুয়ার হাওরে ২০৮ প্রজাতির পাখি, ১৫০ প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, ৩৪ প্রজাতির সরীসৃপ ও ১১ প্রজাতির উভচর প্রাণী রয়েছে।
• প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- এটি অসংখ্য মাছের প্রজাতি, জলজ উদ্ভিদ এবং পরিযায়ী পাখি (migratory birds)-এর আশ্রয়স্থল।
- শীতকালে হিমালয় থেকে হাজার হাজার পাখি এখানে আসে।
- এটি জীববৈচিত্র্যের জন্য বিখ্যাত এবং স্থানীয় মানুষের জীবিকারও উৎস।
অপরদিকে,
- Mineral resources — এখানে খনিজ সম্পদের কোনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেই।
- Wildlife sanctuary for tigers — বাঘের অভয়ারণ্য সুন্দরবনের সাথে যুক্ত, টাঙ্গুয়ার হাওর নয়।
- Coral reef ecosystem — প্রবাল প্রাচীর সমুদ্রে হয় (যেমন সেন্ট মার্টিন), হাওরে নয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫) Which of the following is a characteristic of a free market economy?
- Centralized economic planning
- Consumer sovereignty
- Abolition of competition
- Complete state ownership of property
মুক্ত বাজার অর্থনীতি:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতি হচ্ছে সেই অর্থনীতি যেখানে ব্যক্তি মালিকানা এবং ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদকে স্বীকার করা হয়।
- বাংলাদেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯১ সালে।
⇒ মুক্ত বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতির ফলে রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বন্ধ হবে;
- ব্যক্তিগত সম্পত্তির স্বীকৃতি;
- মুক্তবাজার অর্থনীতি ব্যক্তিস্বার্থ নির্ভর বিধায় এ অর্থনীতিতে প্রতিযোগিতার উৎপত্তি হয় এবং প্রতিযোগিতার ফলে সর্বনিম্ন দরে দ্রব্য ও সেবার উৎপাদনে নিশ্চয়তা আসে,
- ভোক্তার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়,
- মুক্তবাজার অর্থনীতির ফলে আমদানী ব্যয় এবং রপ্তানী আয় বৃদ্ধি পায়;
- ভর্তুকি, কর-রেয়াত ইত্যাদি না থাকার ফলে রাষ্ট্রের অর্থ-সাশ্রয় হয়।
উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত - বিশ্ববিদ্যালয়।
৬) Which product has been declared the "Product of the Year 2026" in Bangladesh?
- Jute and Jute Products
- Paper and Packaging Products
- Leather and Leather Goods
- Pharmaceutical Products
২০২৬ সালের বর্ষপণ্য:
- রপ্তানি প্রসার ও প্রণোদনামূলক কর্মকাণ্ডকে বেগবান করতে প্রতি বছর একটি পণ্যকে 'বর্ষপণ্য' বা প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘোষিত পণ্যের উৎপাদন ও বিপণন উৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- এবার 'পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টস'-কে ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- সাবেক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন 'পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টস'-কে বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছেন।
- বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার উদ্বোধনকালে সভাপতির বক্তৃতায় এ ঘোষণা দেন।
উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার অনলাইন পোর্টাল।
৭) In which year was the Food for Work (KABIKHA) programme introduced?
- 1972
- 1973
- 1974
- 1971
কাবিখা:
- 'কাবিখা' (KABIKHA) হলো "কাজের বিনিময়ে খাদ্য" (Food for Work) কর্মসূচির সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ গ্রামীণ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান প্রকল্প।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।
⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।
উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮) According to the national budget for 2026-27, what is the projected inflation rate?
- 8.48%
- 10.48%
- 9.48%
- 7.5%
জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭:
- বাজেটের ক্রম: ৫৫-তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৬-তম)।
- বাজেট উত্থাপনকারী: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (মন্ত্রী, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়)।
- বাজেটের শিরোনাম: গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা।
- বাজেট ঘোষণা: ১১ জুন, ২০২৬।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৬।
- বাজেটের আকার: ৯,৩৮,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ১৩.৭%)।
- রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা: ৬,৯৫,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি: ২,৪৩,০০০ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP): ৩,০০,০০০ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৭.৫%।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৬.৫%।
- মাথাপিছু আয়: ৩,০২০ মার্কিন ডলার।
তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭।
৯) Which of the following is considered a major environmental challenge for Bangladesh due to climate change?
- Sea-level rise in coastal areas
- Volcanic activity
- Glacier expansion
- Desertification caused by sandstorms
জলবায়ু পরিবর্তন:
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি (Sea-level rise) একটি অন্যতম প্রধান এবং সবচেয়ে গুরুতর পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ।
- বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল (যেমন: খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার) অত্যন্ত নিচু এলাকা।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়লে লাখ লাখ একর জমি পানির নিচে চলে যাবে, লবণাক্ততা বাড়বে, ফসল নষ্ট হবে এবং কোটি কোটি মানুষ জলবায়ু উদ্বাস্তু হয়ে পড়বে।
- আইপিসিসি (IPCC) এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রতিবেদন অনুসারে, এটি দেশের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকিগুলোর একটি।
অপরদিকে,
- Desertification caused by sandstorms: বাংলাদেশ মূলত আর্দ্র ও ডেল্টা অঞ্চল। মরুভূমিকরণ এখানকার প্রধান সমস্যা নয়।
- Volcanic activity: বাংলাদেশে আগ্নেয়গিরি নেই।
- Glacier expansion: হিমবাহ বরং গলে যাচ্ছে (melting), বাড়ছে না। বাংলাদেশে হিমবাহও নেই।
উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি, সরকার পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। কৃষিবিদদের হিসাব অনুযায়ী, প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে প্রায় ২ লাখ হেক্টরের বেশি এক ফসলি জমি দুই ফসলি জমিতে এবং ১ লাখ হেক্টরের বেশি জমি তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরিত হতে পারে। সাগরের লবণাক্ত পানি বদলে কৃষকের কাছে পৌঁছবে মিঠা পানি, যা কৃষি জমির উর্বরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি খাদ্য উৎপাদনে বিরাট বিপ্লব এনে দেবে। এতে বছরে অতিরিক্ত কয়েক মিলিয়ন টন খাদ্যশস্য উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
উৎস: World Bank Climate Change Knowledge Portal.
১০) According to the proposed Budget FY 2026–27, what is the tax-free income limit for a general taxpayer?
- Tk. 3,50,000
- Tk. 3,75,000
- Tk. 4,00,000
- Tk. 4,25,000
প্রশ্নটি প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা ছিল, ৩,৭৫,০০০টাকা।
পরবর্তীতে সেটা বৃদ্ধি করে ৪,০০,০০০ করা হয়েছে।
চূড়ান্ত বাজেট অনুসারে করমুক্ত আয়সীমা:
- ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের করমুক্ত আয়সীমা নিম্নরূপ -
• সাধারণ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪,০০,০০০ টাকা।
• মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪,২৫,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৫,০০,০০০ টাকা।
• গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৫,২৫,০০০ টাকা।
• জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত গেজেটভুক্ত ‘জুলাই যোদ্ধা’ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৫,২৫,০০০ টাকা।
উৎস: বাজেট ২০২৬-২৭।
১১) In which year was the Safe Food Act enacted in Bangladesh?
- 2012
- 2013
- 2015
- 2011
নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩:
- বাংলাদেশে 'নিরাপদ খাদ্য আইন' ২০১৩ সালে পাস হয়।
- জাতীয় সংসদে ২০১৩ সালের ৭ অক্টোবর এই আইনটি পাস করা হয়।
- এটি কার্যকর করা হয় ২০১৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি।
- নিরাপদ খাদ্য আইনে নিরাপদ খাদ্য বলতে প্রত্যাশিত ব্যবহার ও উপযোগিতা অনুযায়ী মানুষের জন্য বিশুদ্ধ ও স্বাস্থ্যসম্মত আহার্যকে বুঝানো হয়েছে।
- এই আইনে খাদ্যে ভেজাল করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার ও ২০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
উৎস: i) নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩।
ii) প্রথম আলো।
১২) Where is the current headquarters of the Dhaka Stock Exchange (DSE) located?
- Motijheel, Dhaka
- Agargaon, Dhaka
- Nikunja-2, Dhaka
- Tejgaon, Dhaka
• স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োেগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
- একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এর বর্তমান প্রধান কার্যালয় ঢাকার নিকুঞ্জ-২, খিলক্ষেত এলাকায় অবস্থিত।
- ২০১৯ সালে প্রধান কার্যালয় ঢাকার নিকুঞ্জ এলাকায় স্থানান্তরিত হয়।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের
- ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।
উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
১৩) Agent Banking operates with the approval of which institution in Bangladesh?
- Bangladesh Securities and Exchange Commission
- Bangladesh Bank
- National Board of Revenue
- Ministry of Finance
এজেন্ট ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধি হয়ে যে সব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মাধ্যমে জনগণকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে তাকে এজেন্ট ব্যাংক বলা হয়।
- এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে সাশ্রয়ীমূল্যে ব্যাংকিং সেবা দেয়া হচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা-সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে।
- ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।
- যে কারণে ১৭ জানুয়ারি এজেন্ট ব্যাংকিং দিবস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
- মুন্সীগঞ্জ জেলার জৈনসার ইউনিয়নে প্রথম এজেন্ট আউটলেট খোলা হয়।
- ১৯৯৯ সালে বিশ্বে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করে ব্রাজিল।
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
১৪) Bangladesh currently has its largest bilateral trade deficit with which country? [July, 2026]
- United States
- China
- Japan
- India
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের বড় ঘাটতি:
- বর্তমানে চীনের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি।
- বিপুল পরিমাণ শিল্প কাঁচামাল ও পণ্য আমদানির বিপরীতে রপ্তানি কম হওয়ায় চীনের সঙ্গে এই বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে রপ্তানির তুলনায় আমদানির পরিমাণ বেশি হওয়ায় এই বিশাল ঘাটতির সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের মতো উৎপাদনমুখী খাতে কাঁচামাল নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখে।
- দেশটি থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পণ্য আমদানি হয়েছে ২ হাজার ৬১ কোটি ডলারের। এর বিপরীতে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ৭৪ কোটি ডলারের পণ্য। তাতে দেশটির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ১ হাজার ৯৮৭ কোটি ডলারের।
উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
১৫) The current President of BGMEA is—
- Faruque Hassan
- Selim Rahman
- Mahmud Hasan Khan
- Rubana akhter
→ বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।
বিজিএমইএ:
- বিজিএমইএ-এর পূর্ণরূপ হলো বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।
- এটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (RMG) খাতের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য সংগঠন।
- ১৯৮৩ সালে সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- দেশের পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তাদের প্রতিনিধিত্ব করাই বিজিএমইএর মূল উদ্দেশ্য।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি পোশাক খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- সরকারের কাছে শিল্পসংশ্লিষ্ট নীতিগত সহায়তা আদায়ে বিজিএমইএ সক্রিয়ভাবে কাজ করে।
- সদস্যভুক্ত কারখানাগুলোকে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক সহায়তাও প্রদান করা হয়।
- শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণ এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নে সংগঠনটি বিশেষ গুরুত্ব দেয়।
- কারখানাগুলোতে সামাজিক ও আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতেও বিজিএমইএ ভূমিকা পালন করে।
- আন্তর্জাতিক ক্রেতা, উন্নয়ন সহযোগী ও বিভিন্ন বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেয় সংগঠনটি।
- বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের বড় অংশ অর্জনে তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশে বিজিএমইএর অবদান উল্লেখযোগ্য।
উৎস: বিজিএমইএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৬) Which is the first and largest paper mill in Bangladesh?
- North Bengal Paper Mill
- Karnaphuli Paper Mill
- Sylhet Pulp and Paper Mill
- Khulna Newsprint Mill
• কর্ণফুলী কাগজ কল:
- এটা সর্বপ্রথম ও বৃহত্তম কাগজকল।
- ১৯৫৩ সালে রাঙ্গামাটি জেলার চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীর তীরে এ কলটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কাঁচামাল: বাঁশ ও নরম কাঠ।
অপরদিকে,
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট কারখানা: ১৯৫৯ সালে খুলনার খালিশপুরে এ কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটা দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কাগজ কল।
- উত্তরবঙ্গ কাগজ কল: এটি দেশের তৃতীয় বৃহত্তম কাগজ কল।
- ১৯৬৯ সালে পাবনার পাকশীতে পদ্মা নদীর তীরে এ কলটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সিলেট মন্ড ও কাগজ কল: ছাতকের সুরমা নদীর তীরে কারখানাটি অবস্থিত।
- এছাড়া নারায়ণগঞ্জের মেঘনা ঘাটের নিকট বসুন্ধরা, মাগুরা ও শাহজালাল নামে কাগজ কল রয়েছে।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিল: ১৯৬৬ সালে খুলনার খালিশপুরে খুলনা হার্ডবোর্ড মিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: বিসিসিআই এবং অর্থনৈতিক ভূগোল।
১৭) According to the Agricultural Statistics Yearbook 2024, which district ranks first in maize production in Bangladesh?
- Bogura
- Rajshahi
- Dinajpur
- Rangpur
ভুট্টা:
- ভুট্টা (বৈজ্ঞানিক নাম: Zea mays) একপ্রকারের খাদ্য শস্য।
- ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টার পুষ্টিমান বেশী। এতে প্রায় ১১% আমিষ জাতীয় উপাদান রয়েছে।
- বেলে দোআশ ও দোআশ মাটি ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের পর দেশের বিভিন্ন খাতে যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দৃশ্যমান খাতটি হলো কৃষি। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এ দেশে মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয় কৃষির উৎপাদন।
ফলে ১৯৭১-৭২ সালে দেশে খাদ্য ঘাটতির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৩০ লাখ টন। এটি ছিল মোট উৎপাদনের প্রায় ৩০ শতাংশ।
- কৃষি খাতে এখন উৎপাদন বেড়েছে বহুগুণ। বর্তমানে চাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবন ও উন্নয়নে বাংলাদেশের স্থান হলো সবার ওপরে। তাছাড়া পাট উৎপাদনে বাংলাদেশের স্থান দ্বিতীয়, সবজি উৎপাদনে তৃতীয়। চাষকৃত মৎস্য উৎপাদনে দ্বিতীয়, গম উৎপাদনে সপ্তম ও আলু উৎপাদনে অষ্টম বলে বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায়। স্বাধীনতার পর থেকে এ নাগাদ চালের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় চার গুণ, গম দ্বিগুণ, ভুট্টা ১০ গুণ ও সবজির উৎপাদন বেড়েছে পাঁচ গুণ।
উৎস: i) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
ii) বণিক বার্তা।
১৮) Which country contributed the highest remittance inflow to Bangladesh 2025-2026 year?
- United Kingdom
- United Arab Emirates
- United States
- Saudi Arabia
সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, চলতি অর্থবছরের বেশিরভাগ সময়ে (বিশেষ করে প্রথম ১১ মাস পর্যন্ত) সৌদি আরব শীর্ষস্থানে রয়েছে।
- জুলাই-মে পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে প্রায় ৫.২৮ বিলিয়ন ডলার এসেছে।
যুক্তরাজ্য (UK), সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE), মালয়েশিয়া ইত্যাদি অন্যতম প্রধান উৎস, কিন্তু সৌদি আরব সামগ্রিকভাবে এগিয়ে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৬ জুন পর্যন্ত প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৩৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন (৩ হাজার ৩৪৪ কোটি) মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি।
উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১৯) What is the target for total revenue collection in the proposed FY 2026–27 budget?
- Tk. 6.50 lakh crore
- Tk. 6.95 lakh crore
- Tk. 7.25 lakh crore
- Tk. 5.95 lakh crore
বাজেট:
- বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট (১১ জুন ২০২৬-এ উপস্থাপিত)।
- ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জন্য সরকার ৯.৩৮ লাখ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করেছে।
- এই বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকা।
- ব্যয় আয়ের তুলনায় বেশি হওয়ায় বাজেটে ঘাটতি (Budget Deficit) সৃষ্টি হয়েছে।
- প্রস্তাবিত বাজেটে এই ঘাটতির পরিমাণ ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।
- এটি দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (GDP) প্রায় ৩.৬ শতাংশ সমান।
- ঘাটতি পূরণে সরকার দেশীয় ও বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ গ্রহণের পরিকল্পনা করেছে।
- এর মধ্যে প্রায় ১.২৭ লাখ কোটি টাকা দেশীয় উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে।
- বাকি ১.১৬ লাখ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ ও সহায়তা থেকে আসবে।
["আপডেটেড তথ্যের জন্য প্রিমিয়াম সেকশন থেকে Dynamic Info Panel দেখুন"]
উৎস: ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট, বাসস নিউজ।
২০) On which date did the Bangladesh Bank reserve theft take place?
- 4 February 2016
- 21 February 2016
- 26 March 2016
- 1 January 2016
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি:
- ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ কোটি ১০ লাখ ১ হাজার ৬২৩ ডলার চুরি হয়।
- এর মধ্যে ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংকে থাকা চারটি অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয় এবং বাকি ২০ মিলিয়ন ডলার শ্রীলঙ্কার একটি ব্যাংকে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে হলিউড তথ্যচিত্র 'বিলিয়ন ডলার হাইস্ট'।
- তথ্যচিত্রটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন ড্যানিয়েল গর্ডন, ব্রেন্ডন ডনোভান ও ব্রায়ান ইভানস।
উৎস: প্রথম আলো এবং বাসস পত্রিকা রিপোর্ট।
২১) What does IDRA stand for?
- Insurance Directorate and Regulatory Authority
- Insurance Development and Registration Authority
- Insurance Development and Regulatory Authority
- International Development and Regulatory Agency
আইডিআরএ:
- IDRA এর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।
- এটি ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারি "বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১০" অনুযায়ী গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার "বীমা আইন, ২০১০" প্রণয়ন করে বীমা ব্যবসাকে উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে।
- আইডিআরএ গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো বীমা ব্যবসার তদারকি করা এবং বীমা গ্রহীতার স্বার্থ রক্ষা করা।
- বর্তমানে ৪৬ টি নন-লাইফ বীমাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এর মধ্যে ০৮ টি বীমাকারী প্রতিষ্ঠানের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
২২) According to the provisional GDP estimates for FY 2025–26, which sector recorded the highest growth rate?
- Industry
- Services
- Fisheries
- Agriculture
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে, অর্থনীতির সেবা খাতে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি।
• বিবিএস ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব:
- প্রকাশিত হয়: ১০ জুন, ২০২৬।
⇒ বিবিএস ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুসারে -
- কৃষি খাতের অবদান ১০.৯৩ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার: ২.৭৮%।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৬.৯৮ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার: ২.৮৬%।
- সেবা খাতের অবদান ৫২.০৯ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫৯%।
- জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ৪.১৪%।
- মাথাপিছু আয়: ৩,০২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৮৬৬ মার্কিন ডলার।
উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
২৩) Which sector has been recognized as the second-largest export sector of Bangladesh after Ready-Made Garments (RMG)?
- Agricultural Products
- Leather and Leather Goods
- Jute and Jute Goods
- Pharmaceuticals
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।
• দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) মোট রপ্তানি আয় হয়েছে ২০,০২৮.৫৯ মিলিয়ন ডলার।
- নিটওয়্যার ও ওভেন পোশাকের পাশাপাশি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, ওষুধ, জাহাজ, চিংড়ি এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
উৎস:
i) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২৪) Which of the following environmental issues poses a serious threat to public health in Bangladesh?
- Arsenic contamination of groundwater
- Ozone depletion only
- Snowstorms
- Acid rain from volcanoes
বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ:
- বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ (Arsenic contamination of groundwater) একটি অত্যন্ত গুরুতর এবং ব্যাপক জনস্বাস্থ্য সমস্যা।
- বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ পানিতে (টিউবওয়েলের পানি) প্রাকৃতিকভাবে আর্সেনিকের মাত্রা অত্যধিক বেশি।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং সরকারি তথ্য অনুসারে, প্রায় ২ কোটিরও বেশি মানুষ আর্সেনিকযুক্ত পানি পান করে।
- দীর্ঘদিন এই পানি পান করলে আর্সেনিকোসিস হয়, যার ফলে ত্বকে কালো দাগ, চামড়ার ক্যান্সার, লিভার-কিডনির সমস্যা, হার্টের রোগ এবং বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার হতে পারে।
- এটিকে বলা হয় “বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জনস্বাস্থ্য বিপর্যয়গুলোর একটি”।
অপরদিকে:
- Acid rain from volcanoes: বাংলাদেশে আগ্নেয়গিরি নেই এবং অ্যাসিড রেইন এখানকার প্রধান সমস্যা নয়।
- Snowstorms: বাংলাদেশ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশ। এখানে তুষারপাত বা তুষারঝড় হয় না।
- Ozone depletion only: ওজোন স্তরের ক্ষয় বিশ্বব্যাপী সমস্যা, কিন্তু বাংলাদেশে এটি সরাসরি জনস্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি নয়।
উৎস:World Health Organization (WHO).
২৫) According to the Yearbook of Agricultural Statistics 2024, which district has the largest forest area?
- Rangamati
- Bandarban
- Khagrachari
- Moulvibazar
বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।
সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।
তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।








