Bookmarks
Back

Exam - 40 General Knowledge: Topic: i) Global History (বৈশ্বিক ইতিহাস,মানব সমাজের বিবর্তন,বিশ্ব সভ্যতা); ii) International Issues (রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক ইত্যাদি) iii) International and Regional Organization. [UN ও এর সহযোগী সংস্থা, ব্রেটন উডস সংস্থা, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, EU, Commonwealth, NAM, OIC, African Union, APEC, Arab League, ASEAN, BENELUX, BIMSTEC, BRICS, CIRDAP, G-7, D-8, G-20, G-77, GCC, OPEC, SAARC, ECO, OECD, ADB, AIIB, NDB, IDB, RCEP, WEF, ICC, AFTA, EFTA, NAFTA, APTA, COMESA, MERCOSUR]

১) Which of the following pairs of countries are members of both the G7 and the G20?

  1. Japan and Canada
  2. India and Australia
  3. Brazil and Germany
  4. Russia and South Africa

জাপান এবং কানাডা একই সাথে G7 এবং G20 উভয় অর্থনৈতিক জোটেরই স্থায়ী সদস্য। G7-এর ৭টি সদস্য দেশই (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, কানাডা ও জাপান) স্বয়ংক্রিয়ভাবে G20 জোটের অন্তর্ভুক্ত। 

G-7:
- G7 বা Group of Seven হলো বিশ্বের ৭টি শিল্পোন্নত দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক জোট।
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- বর্তমান সভাপতি দেশ: ফ্রান্স।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

জি-২০:
- G-20 (Group of Twenty) হলো বিশ্বের প্রধান উন্নত ও উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর একটি শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা ফোরাম। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৯ সালে।
- এটি বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ৮৫% এবং বিশ্ব বাণিজ্যের ৭৫% প্রতিনিধিত্ব করে।
- সদস্য: ২১টি (দেশ ১৯টি এবং জোট ২টি)। 
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, চীন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক।
- জোট: ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আফ্রিকান ইউনিয়ন।
- স্পেন স্থায়ী অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়।

উৎস: i) G20 Miami 2026 ওয়েবসাইট।
ii) G-7 ওয়েবসাইট।

২) What was the name of the ancient script used by the Sumerian civilization?

  1. Phoenician
  2. Brahmi
  3. Cuneiform
  4. Hieroglyphics

কিউনিফর্ম:
- কিউনিফর্ম সুমেরীয়দের তৈরি প্রাচীন লিপি।
- এই লিপির আকৃতি কীলক বা ছোট্ট তীরের মতো হওয়ার কারণে এদের কিউনিফর্ম বা কীলক লিপি বলা হয়।
- এটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত কোনো বর্ণমালা নয় এবং এতে নির্দিষ্ট বা ধরাবাঁধা কোনো অক্ষরও নেই। এটি বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন ও চিত্রের সমন্বয়ে লেখার পদ্ধতি। এটি পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন লিখন পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত। নরম মাটির ফলকে নলখাগড়ার তৈরি কলম দিয়ে চেপে চেপে এই ত্রিকোণাকার বা কীলক আকৃতির চিহ্নগুলো ফুটিয়ে তোলা হতো।
- হামুরাবীর আইনবিধি এই লিখন পদ্ধতিতে লিপিবদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- সুমেরীয়দের পর আক্কাদিয়ানরাও তাদের ভাষা লেখার জন্য এই লিখন পদ্ধতি গ্রহণ করে।
- সুমেরীয় ও আক্কাদিয়ান বাদে অ্যাসিরিয়ান, ব্যাবিলনিয়ান, এব্লেইট, আমোরাইট, অ্যালামাইট, হাত্তিক, হুররিয়ান, উরার্তিয়ান, হিট্টাইট, লুউইয়ান ভাষা এই লিখন পদ্ধতিতে লেখা হতো।
- কিউনিফর্ম লিপিকে প্রথম সংস্কার করেন পারস্য সম্রাট দারিয়ুস।

অন্যদিকে,
- Phoenician: এটি ফিনিশীয়দের দ্বারা তৈরি প্রাচীন বর্ণমালা, যা পরবর্তীকালে গ্রিক এবং ল্যাটিন বর্ণমালার ভিত্তি তৈরি করেছিল।
- Brahmi: এটি প্রাচীন ভারতের একটি লিপি, যা বাংলা ও দেবনাগরীসহ আধুনিক দক্ষিণ এশিয়ার বেশিরভাগ লিপির আদি উৎস।
- Hieroglyphics: এটি প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার চিত্রভিত্তিক লিখন পদ্ধতি, যা তারা দেয়াল, প্যাপাইরাস ও পাথরে খোদাই করে ব্যবহার করত।

উৎস: i) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) World History Encyclopedia.

৩) Where is the administrative headquarters of the European Union located?

  1. Paris, France
  2. Geneva, Switzerland
  3. Brussels, Belgium
  4. Berlin, Germany

বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র বা অনানুষ্ঠানিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত। 

European Union:
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ সালে।
- সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ: ৬টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭টি।
- ইইউ দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া , স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।

৪) How many independent member states currently make up the Commonwealth of Nations?

  1. 52
  2. 54
  3. 56
  4. 58

কমনওয়েলথ অব নেশনস (Commonwealth of Nations) বর্তমানে ৫৬টি স্বাধীন সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত।

Commonwealth:
- কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশিক দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট। এক সময় যে সকল অঞ্চল বা জনপদগুলো ব্রিটিশ উপনিবেশ হিসেবে শাসিত হয়ে পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসন ও শোষণের হাত থেকে মুক্ত হয়ে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেসব রাষ্টের প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কমনওয়েলথ।
- স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য ব্রিটেনের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে কমনওয়েলথ।
- ব্রিটেনের রাজা বা রানী হলেন এ সংস্থার প্রধান।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য ৫৬টি।
- সদরদপ্তর: মার্লবোরো হাউস, লন্ডন।
- এ সংস্থার মূল লক্ষ্য হল কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সমৃদ্ধি করা।

• সদস্য দেশগুলো:
- আফ্রিকা: ২১টি দেশ। 
- ক্যারিবীয় ও আমেরিকা: ১৩টি দেশ। 
- প্যাসিফিক বা ওশেনিয়া: ১১টি দেশ। 
- এশিয়া: ৮টি দেশ। 
- ইউরোপ: ৩টি দেশ। 

উৎস: Commonwealth ওয়েবসাইট।

৫) Which of the following crimes does not fall under the jurisdiction of the International Criminal Court (ICC)?

  1. Crimes of aggression
  2. Genocide
  3. Crimes against humanity
  4. Transnational drug trafficking

ICC:
- আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা ICC-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Court.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭ জুলাই, ১৯৯৮ (রোম সংবিধির মাধ্যমে)।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১ জুলাই, ২০০২।
- সদরদপ্তর: হেগ নেদারল্যান্ডস।
- সদস্য দেশ: ১২৫টি (১২৫তম সদস্য: ইউক্রেন)।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: তোমোকো আকানেকে (২০২৪-২০২৭ সাল)। প্রেসিডেন্সির সদস্যরা অবিলম্বে তিন বছরের মেয়াদে নির্বাচিত হন।

• রোম সংবিধি (Rome Statute):
- রোম সংবিধি হলো আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (International Criminal Court - ICC) প্রতিষ্ঠার জন্য গৃহীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- ১৯৯৮ সালে রোম সংবিধির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় আইসিসি (ICC)।
- আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসি (ICC)-এর রোম সংবিধি (Rome Statute) অনুযায়ী, আদালত কেবল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগের কারণ হওয়া অত্যন্ত গুরুতর ৪টি অপরাধের বিচার করতে পারে।

• ICC-এর এক্তিয়ারভুক্ত প্রধান ৪টি অপরাধ:
- গণহত্যা (Genocide): কোনো নির্দিষ্ট জাতীয়, জাতিগত, ধর্মীয় বা বংশগত গোষ্ঠীকে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত অপরাধ।
- মানবতাবিরোধী অপরাধ (Crimes against humanity): বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে পদ্ধতিগত বা ব্যাপক আকারে চালানো যেকোনো সহিংস আক্রমণ বা নির্যাতন।
- যুদ্ধাপরাধ (War crimes): আন্তর্জাতিক বা অভ্যন্তরীণ সশস্ত্র সংঘাতের সময় জেনেভা কনভেনশন বা যুদ্ধের আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘনকারী অপরাধ।
- আগ্রাসনের অপরাধ (Crimes of aggression): কোনো রাষ্ট্রের রাজনৈতিক বা সামরিক নেতৃত্ব দ্বারা অন্য কোনো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা বা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি প্রয়োগ।

অন্যদিকে,
- আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান-এর বিচার ICC-এর কাজ নয়। 

উৎস: International Criminal Court ওয়েবসাইট।

৬) Which is the only South American country among the OPEC member nations?

  1. Brazil
  2. Colombia
  3. Ecuador 
  4. Venezuela

OPEC:
- পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা OPEC-এর পূর্ণরূপ: Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- ওপেক গঠনের প্রস্তাবক দেশ ভেনেজুয়েলা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে। 
- প্রতিষ্ঠার স্থান: বাগদাদ, ইরাক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫টি (ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা)।
- বর্তমান সদস্য: ১১টি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদস্য দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, কঙ্গো, নিরক্ষীয় গিনি, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, ভেনিজুয়েলা।
- প্রধান উদ্দেশ্য: সদস্য দেশসমূহের পেট্রোলিয়ামের নীতি নির্ধারণ ও সমন্বয় এবং বৈশ্বিক তেলের দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রন করা।

উল্লেখ্য,
- ভেনিজুয়েলা হলো ওপেক (OPEC)-এর একমাত্র দক্ষিণ আমেরিকান সদস্য দেশ। ১৯৬০ সালে যে ৫টি প্রতিষ্ঠাতা দেশের মাধ্যমে এই আন্তর্জাতিক তেল রপ্তানিকারক সংস্থাটি গঠিত হয়েছিল, ভেনিজুয়েলা ছিল তাদের অন্যতম। দক্ষিণ আমেরিকার অন্য কোনো দেশ বর্তমানে ওপেকের সদস্য নয়।

উৎস: i) OPEC ওয়েবসাইট।
ii) History.com

৭) The foundational ideas and principles of NAM originated from which historic conference?

  1. Bandung Conference
  2. Belgrade Conference
  3. Cairo Conference
  4. Vienna Conference

NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়। 
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১ (১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে)।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১২১টি।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।

• বান্দুং সম্মেলন:
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন-এর মূল আদর্শ ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল ১৯৫৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার বান্দুংয়ে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক আফ্রো-এশীয় সম্মেলনে। এটি বান্দুং সম্মেলন নামে পরিচিত।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং-এ এশিয়া ও আফ্রিকার ২৯টি দেশ অংশগ্রহণ করে। 
- এর অংশ হিসেবে ভারতের জওহরলাল নেহেরু, ইন্দোনেশিয়া ড. আহমেদ সুকর্ণ, মিশরের গামাল আবদেল নাসের প্রমুখ নেতৃত্ববৃন্দের উদ্যোগে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন গঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়।
- এই সম্মেলনে গৃহীত ১০টি মূল নীতি বা 'বান্দুং নীতিমালা' (Bandung Principles)-এর ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে ন্যামের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

অন্যদিকে,
- Non-Aligned Movement (NAM)-এর প্রথম সম্মেলন ১৯৬১ সালের ১-৬ সেপ্টেম্বর যুগোস্লাভিয়ার বেলগ্রেডে অনুষ্ঠিত হয়। 

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।

৮) What was the most significant contribution of the Phoenician civilization to the modern world?

  1. The Alphabet
  2. The invention of the compass
  3. The decimal system
  4. Mathematics

বর্ণমালার উদ্ভাবন:
- প্রাচীন ফিনিশীয় (Phoenician) সভ্যতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী অবদান হলো তাদের উদ্ভাবিত বর্ণমালা।
- খ্রিস্টপূর্ব ১০ম শতকের দিকে তারা ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণের সমন্বয়ে একটি সরল লিখন পদ্ধতি তৈরি করে, যা পূর্ববর্তী চিত্রভিত্তিক বা জটিল লিপির চেয়ে অনেক সহজ ছিল।
- আধুনিক বর্ণমালার সূচনা এখান থেকে। ফিনিশীয়দের উদ্ভাবিত বর্ণমালার সাথে পরবর্তীতে গ্রিকরা স্বরবর্ণ যোগ করে বর্ণমালাকে পূর্ণতা দান করে। এছাড়া গ্রিকরা ফিনিশীয়দের কাছ থেকে কলম, কালি ও কাগজের ব্যবহার শেখে।
- এই ফিনিশীয় বর্ণমালা থেকেই পরবর্তীতে গ্রিক, ল্যাটিন এবং আধুনিক বিশ্বের বেশিরভাগ বর্ণমালার উৎপত্তি ঘটেছে।

• ফিনিশীয় সভ্যতা:
- ভূমধ্যসাগর এবং লেবানন পর্বতের মাঝে ১২৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৫ কিলোমিটার প্রস্থ সম্বলিত একখণ্ড সরু উপকূল অঞ্চলে ফিনিশীয় নামের ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি গড়ে উঠেছিল।
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে তাদের উত্থান হয়েছিল। নানা ঘটনা প্রবাহের পর ৩৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে গ্রিক বীর আলেকজান্ডার টায়ার নগরী দখল করে একে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেন। আর তখনই ফিনিশীয় সভ্যতার পতন ঘটে।

এছাড়াও,
- প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের পরিচয় শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে। তাদের মূল অবদানসমূহ জড়িয়ে আছে নৌ-বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে। তাদের ছিল অনেকগুলো সমুদ্র বন্দর। তাদের বিখ্যাত দুটি বন্দর হলো টায়ার ও সিডন।  ফিনিশীয় বণিকগণ জাহাজ নিয়ে ব্যবসার জন্য ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগড় পাড়ি দিত। মূলত ফিনিশীয়রাই প্রথম পৃথিবীর ইতিহাসে সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক সভ্যতা গড়ে তোলে।
- ফিনিশীয়রা বাণিজ্যের পাশাপাশি কারিগরি ক্ষেত্রেও দক্ষতা অর্জন করেছিল। গ্রিক কবি হোমারের লেখায় ফিনিশীয়দের তৈরি পোশাক ও সোনার অলংকারের কথা রয়েছে। তারা জেরুজালেমে তৈরি করেছিল মন্দির।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯) In which year did the South Asian Free Trade Area (SAFTA) agreement officially enter into force?

  1. 2000
  2. 2002
  3. 2004
  4. 2006

SAFTA:
- দক্ষিণ এশীয় মুক্ত বাণিজ্য এলাকা বা SAFTA (South Asian Free Trade Area) হলো সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তি। 
- স্বাক্ষরিত হয়: ৬ জানুয়ারি, ২০০৪ (ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ১২তম সার্ক সম্মেলনে)।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ২০০৬।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ ৮টি (আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা)।

• SAFTA চুক্তির উদ্দেশ্য: সার্ক সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যিক বাধাগুলি কমানো এবং মুক্ত বাণিজ্য প্রতিষ্ঠা করা। এই চুক্তির মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে শুল্ক হার কমানো এবং বাণিজ্যিক সুবিধা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- SAFTA চুক্তির আওতায়, সার্ক সদস্য দেশগুলো তাদের মধ্যে শুল্ক শিথিল এবং বাণিজ্য বৃদ্ধি করতে সম্মত হয়, যাতে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়।
- শুল্ক হ্রাস: চুক্তির আওতায় ধাপে ধাপে শুল্ক হার শূন্য থেকে ৫ শতাংশে (০-৫%) নামিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- এটি ১৯৯৩ সালে স্বাক্ষরিত SAPTA-এর (SAARC Preferential Trading Arrangement) একটি উন্নত সংস্করণ।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।

১০) In which year and following which event was the OIC officially established?

  1. In 1967, after the Arab-Israeli War
  2. In 1969, after the arson attack on the Al-Aqsa Mosque
  3. In 1971, through the OIC Charter
  4. In 1974, after the Lahore Summit  

OIC:
- ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ (মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে)।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়: রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে: ১৯৭২ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।
 
উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট ইসরায়েল কর্তৃক অধিকৃত জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের (অগ্নিসংযোগ) ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়ায় বিশ্ব মুসলিম নেতাদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ফলশ্রুতিতে, একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাবাতে অনুষ্ঠিত এক ঐতিহাসিক শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে ওআইসি (OIC) আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ২০১১ সালের ২৮ জুন ইসলামী সম্মেলন সংস্থার নাম পরিবর্তন করে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (Organization of Islamic Co-operation) রাখা হয়।

উৎস: i) OIC ওয়েবসাইট।
ii) Anadolu Ajansı.

১১) Which ancient city-state is known as the "Cradle of Democracy"?

  1. Athens
  2. Sparta
  3. Rome
  4. Constantinople

Cradle of Democracy:
-প্রাচীন গ্রিসের নগর-রাষ্ট্র এথেন্সকে ‘গণতন্ত্রের সূতিকাগার’ বা "Cradle of Democracy" বলা হয়।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫ম থেকে ৬ষ্ঠ শতকে ক্লিসথেনিসের নেতৃত্বে এথেন্সে পৃথিবীর প্রথম প্রত্যক্ষ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়, যেখানে সাধারণ নাগরিকেরা সরাসরি রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নিতে পারতেন।
- এটি আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মতো ছিল না। নাগরিকরা কোনো সাংসদ বা প্রতিনিধি নির্বাচন করতেন না। 'এক্লেসিয়া' নামক এক বিশাল জনসভায় সব নাগরিক সরাসরি উপস্থিত হয়ে ভোট দিয়ে যুদ্ধ, শান্তি, আইন এবং কর নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিতেন।
- বিচারক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা নির্বাচনের জন্য লটারি বা দৈবচয়ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হতো, যাতে ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই সমান সুযোগ পায়। 

উল্লেখ্য,
- ‘গণতন্ত্র’ পরিভাষাটি ইংরেজি ‘Democracy’ থেকে এসেছে। গ্রিক শব্দ Demos অর্থ হলো জনগণ আর Kritos অর্থ শাসনক্ষমতা বা কর্তৃত্ব।

উৎস: i) History.com
ii) BBC.

১২) Which of the following concepts was coined and popularized by the World Economic Forum (WEF)?

  1. Bretton Woods System 
  2. Structural Adjustment Program
  3. The Green Revolution
  4. Fourth Industrial Revolution

World Economic Forum:
- বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (World Economic Forum, WEF) হলো একটি আন্তর্জাতিক ও অলাভজনক সংস্থা, যা সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্বের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা উন্নয়নে কাজ করে। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭১ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান: জার্মান অধ্যাপক ক্লাউস সোয়েব। [১৯৭১ সালে ক্লাউড শোয়াব কর্তৃক 'European Management Forum' নামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৭ সালে এর নাম পরিবর্তন করে World Economic Forum রাখা হয়।]
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

• প্রতিবছর জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রনেতা, ব্যবসায়ী ও বুদ্ধিজীবীরা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এক মঞ্চে মিলিত হন। 
- প্রধান উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমস্যা সমাধান করা, এবং বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি স্থিতিশীল, সহযোগিতামূলক এবং আরও উন্নত ভবিষ্যৎ গঠন করা।

উল্লেখ্য,
- ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (WEF) কর্তৃক প্রবর্তিত ও জনপ্রিয় হওয়া প্রধান ধারণাটি হলো "চতুর্থ শিল্প বিপ্লব" (Fourth Industrial Revolution - 4IR)।
- ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (WEF) প্রতিষ্ঠাতা ক্লাউস শোয়াব ২০১৬ সালে প্রথম 'চতুর্থ শিল্প বিপ্লব' (Fourth Industrial Revolution বা 4IR) ধারণাটি প্রবর্তন ও জনপ্রিয় করেন। এটি এমন একটি বিপ্লব যা প্রযুক্তি, শিল্প এবং মানুষের জীবনযাত্রাকে সংযুক্ত করার মাধ্যমে ভৌত, ডিজিটাল এবং জৈবিক জগতের মধ্যে সীমারেখাকে বিলীন করে দিচ্ছে।

উৎস: WEF ওয়েবসাইট। [link]

১৩) Which of the following is currently recognized as the largest free trade bloc in global history?

  1. European Union
  2. USMCA
  3. RCEP
  4. CPTPP

RCEP বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল। এই জোটটি বিশ্ব অর্থনীতির প্রায় ৩০% এবং বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশকে কভার করে। 

RCEP:
- RCEP-এর পূর্ণরূপ: Regional Comprehensive Economic Partnership.
- RCEP হলো Association of Southeast Asian Nations (ASEAN) এর সদস্য রাষ্ট্র। এটি বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ২০২০।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ২০২২।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৫টি (চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ব্রুনাই, সিঙ্গাপুর, কম্বোডিয়া, লাওস ও মিয়ানমার)।

• অর্থনীতির ব্যাপ্তি:
- বৈশ্বিক GDP-এর প্রায় ৩০%,
- বৈশ্বিক জনসংখ্যারও প্রায় ৩০% (প্রায় ২.২ বিলিয়ন),
- বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রায় ২৮.৮%।

অন্যদিকে,
- EU-এর অর্থনীতির ব্যাপ্তি বৈশ্বিক GDP-এর প্রায় ১৪%।
- CPTPP-এর অর্থনীতির ব্যাপ্তি বৈশ্বিক GDP-এর প্রায় ১৫%।
- USMCA-এর অর্থনীতির ব্যাপ্তি বৈশ্বিক GDP-এর প্রায় ১৭%।

উৎস: i) ASEAN ওয়েবসাইট।
ii) World Economic Forum ওয়েবসাইট। [link]

১৪) In which century did the European Renaissance begin?

  1. 14th Century
  2. 15th Century
  3. 16th Century
  4. 17th Century

রেনেসাঁ:
- ইংরেজি 'রেনেসাঁ' Renaissance) শব্দের অর্থ নবজাগরণ বা পুনর্জন্ম।
- ধর্মভাবনা নিয়ন্ত্রিত ও সামন্ততান্ত্রিক মধ্যযুগীয় দীর্ঘ বদ্ধ দশা থেকে মুক্ত হয়ে নতুনভাবে জীবনের সবকিছুকে জানার জন্য মানব মনের যে আগ্রহ তারই পরিণতি স্বরূপ যে নবজীবনবাদের সূচনা, তাকেই সাধারণভাবে রেনেসাঁ বা নবজাগরণ নামে আখ্যায়িত করা হয়।

• ইউরোপীয় রেনেসাঁ বা নবজাগরণ ১৪ শতকে ইতালির ফ্লোরেন্স শহরের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। এর মূল সময়কাল সাধারণত ১৪ শতক থেকে ১৭ শতক পর্যন্ত ধরা হয়। 
- পরবর্তী সময়ে জার্মানিতে রিফরমেশন, ফ্রান্সে ফরাসি বিপ্লব, ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লব এবং সোভিয়েত ইউনিয়নে রুশ বিপ্লব ও চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ঘটে।
- এই আন্দোলনের ফলে মধ্যযুগের অবসান ঘটে এবং ইউরোপে আধুনিক যুগের সূচনা হয়, যা বিজ্ঞান, শিল্প, সাহিত্য এবং দর্শনে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছিল।

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

১৫) Where is the official permanent headquarters of the African Union located?

  1. Nairobi, Kenya
  2. Cairo, Egypt
  3. Johannesburg, South Africa
  4. Addis Ababa, Ethiopia

আফ্রিকান ইউনিয়ন (African Union):
- আফ্রিকান ইউনিয়ন একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা আফ্রিকান দেশ সমূহ নিয়ে গঠিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৯ জুলাই, ২০০২।
- সদস্য সংখ্যা: ৫৫টি (সর্বশেষ সদস্য দেশ: মরক্কো)।
- সদর দপ্তর: আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া।
- বর্তমান চেয়ারপারসন: H.E. Mahmoud Ali Youssouf.
- লক্ষ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং মহাদেশের সামগ্রিক অগ্রগতির মাধ্যমে একটি সুসংহত ও সমৃদ্ধ আফ্রিকা গড়ে তোলা।
- প্রধান উদ্যোগ: AfCFTA (আফ্রিকান কন্টিনেন্টাল ফ্রি ট্রেড এরিয়া) চুক্তির মাধ্যমে একক বাজার তৈরি এবং 'এজেন্ডা ২০৬৩'-এর অধীনে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

উৎস: African Union ওয়েবসাইট।

১৬) Which major global economic superpower is not a member economy of APEC? [July, 2026]

  1. China
  2. Russia
  3. India
  4. United States

ভারত APEC-এর সদস্য নয়। 

APEC:
- APEC-এর পূর্ণরূপ Asia-Pacific Economic Cooperation.
- APEC এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি বাণিজ্যিক জোট।
- এটি গঠিত হয় ১৯৮৯ সালে (অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায়)। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বব হক APEC -এর উদ্যোক্তা ছিলেন।
- সদর দপ্তর: সিঙ্গাপুর সিটি, সিঙ্গাপুর।
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ২১টি।
- APEC সদস্য গুলো: অস্ট্রেলিয়া, ব্রুনাই, কানাডা, চিলি, চীন, হংকং (চীন), ইন্দোনেশিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, নিউজিল্যান্ড, পাপুয়া নিউ গিনি, পেরু, ফিলিপাইন, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, চীনা তাইপেই (তাইওয়ান), থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, ভিয়েতনাম।

উৎস: APEC ওয়েবসাইট।

১৭) Which event triggered the American Revolutionary War against British rule?

  1. The Glorious Revolution
  2. The Boston Tea Party
  3. The Industrial Revolution
  4. The French Revolution

১৭৭৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর বোস্টন বন্দরে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক কর নীতির বিরুদ্ধে মার্কিন উপনিবেশবাদীদের এক ঐতিহাসিক প্রতিবাদ সমাবেশ ঘটে, যা বোস্টন টি পার্টি নামে পরিচিত। এই ঘটনাটি ব্রিটিশ সরকারের সাথে আমেরিকার উত্তেজনা চরম পর্যায়ে নিয়ে যায়, যার প্রত্যক্ষ ফলশ্রুতিতে ১৭৭৫ সালে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে মার্কিন স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়। 

বোস্টন টি পার্টি:
- বোস্টন টি পার্টি (Boston Tea Party) সংঘটিত হয়েছিল ১৭৭৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঘটে। এটি আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। 
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসিত আমেরিকার উপনিবেশবাসীদের একটি রাজনৈতিক বিক্ষোভ।
- ব্রিটিশ সরকার উপনিবেশগুলোর ওপর বিভিন্ন আইন ও কর আরোপ করে, যার মধ্যে 'টি অ্যাক্ট (১৭৭৩)' ছিল অন্যতম। ব্রিটিশ সরকারের আরোপিত চা-করের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে 'সনস অফ লিবার্টি' নামে পরিচিত উপনিবেশবাসীরা ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির তিনটি জাহাজ থেকে ৩৪২ বাক্স চা সমুদ্রে ফেলে দেয়।

• বোস্টন টি পার্টির প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটিশ সরকার কঠোর 'অসহনীয় আইন' (Intolerable Acts) পাস করলে তা উপনিবেশগুলোকে আরও ক্ষুব্ধ করে তোলে।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৭৭৫ সালে শুরু হয় আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং ১৭৭৬ সালে তারা স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

অন্যদিকে,
- The Glorious Revolution: ১৬৮৮ সালে ইংল্যান্ডে সংঘটিত এই রক্তপাতহীন বিপ্লবের মাধ্যমে রাজা দ্বিতীয় জেমস ক্ষমতাচ্যুত হন এবং সংসদীয় রাজতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত হয়।
 - The Industrial Revolution: ১৮ শতকের মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাজ্যে শুরু হওয়া এই অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত বিপ্লব মানুষের উৎপাদন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন এনেছিল, এটি কোনো যুদ্ধ নয়।
- The French Revolution: ১৭৮৯ সালে ফ্রান্সে রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে এই ঐতিহাসিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল, যা ফরাসি রাজপরিবারের পতন ঘটায়।

উৎস: History.com

১৮) 'Strategy 2030' is the long-term institutional framework document of which of the following international organizations?

  1. ADB
  2. NDB
  3. AIIB
  4. RCEP

'Strategy 2030' হলো এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা ADB-এর একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রাতিষ্ঠানিক কৌশলগত দলিল। 

ADB:
- ADB-এর পূর্ণরূপ: Asian Development Bank বা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ২২ আগস্ট, ১৯৬৬।
- আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে: ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬৬।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৩১টি।
- বর্তমান সদস্য: ৬৯টি (এর মধ্যে ৫০টি সদস্য এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসগরীয় অঞ্চলের এবং ১৯টি অন্যান্য অঞ্চলের)।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: ইসরায়েল।
- সদরদপ্তর: ম্যানিলা, ফিলিপাইন।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মাসাতো কান্দা (Masato Kanda)।

• ADB-এর Strategy 2030:
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB)-এর Strategy 2030 হলো একটি কৌশলগত পরিকল্পনা, যার মূল লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চরম দারিদ্র্য দূর করে একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্থিতিস্থাপক এবং টেকসই অঞ্চল গড়ে তোলা।
- ২০১৮ সালের জুলাই মাসে সংস্থাটি এটি গ্রহণ করে। এর মূল লক্ষ্য হলো এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পরিবর্তনশীল চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ অব্যাহত রাখা এবং একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্থিতিস্থাপক ও টেকসই অঞ্চল গড়ে তোলা। এই পরিকল্পনার আওতায় সাতটি প্রধান কাজের ক্ষেত্র বা অপারেশনাল প্রায়োরিটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো হলো:
• দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূর করা।
• লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি।
• জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং পরিবেশগত স্থায়িত্ব।
• শহরগুলোকে আরও বাসযোগ্য করে তোলা।
• গ্রামীণ উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা বৃদ্ধি।
• সুশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা শক্তিশালী করা।
• আঞ্চলিক সহযোগিতা ও একীকরণ বৃদ্ধি করা।

উৎস: ADB ওয়েবসাইট।

১৯) Which historic pact formally established the Arab League?

  1. The Treaty of Joint Defense and Economic Cooperation 
  2. Cairo Accord
  3. Damascus Treaty
  4. Pact of the League of Arab States

আরব লীগ:
- আরব লীগ (Arab League) হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর আঞ্চলিক এবং রাজনৈতিক সংগঠন।
- উদ্দেশ্য: আরব দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা, ঐক্য এবং নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- আরব লীগের সনদ স্বাক্ষরিত হয় এবং আরব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২২ মার্চ, ১৯৪৫।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ: ৭টি (মিশর, ইরাক, লেবানন, সৌদি আরব, সিরিয়া, জর্ডান এবং ইয়েমেন)।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ২২টি (কুয়েত, লেবানন, ফিলিস্তিন, কাতার, জর্ডান, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, লিবিয়া, ওমান, সৌদি আরব, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, ইরাক, আলজেরিয়া, মরোক্কো, সুদান, জিবুতি, মিশর, ইয়েমেন, মৌরিতানিয়া, কমোরোস, সোমালিয়া)।
- ১৯৪৪ সালে আলেকজান্দ্রিয়া প্রটোকল গৃহীত হওয়ার পর ২২ মার্চ, ১৯৪৫ সালে কায়রোতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: কায়রো, মিশর।
- অফিসিয়াল ভাষা: আরবি।
- বর্তমান মহাসচিব: মিশরের আহমেদ আবুল ঘেইত।

• Pact of the League of Arab States (আরব লীগ সনদ):
- ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ মিশরের কায়রোতে এই ঐতিহাসিক চুক্তি বা Pact of the League of Arab States স্বাক্ষরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে আরব লিগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি আরব লীগের সাতটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র—মিশর, ইরাক, জর্ডান, লেবানন, সৌদি আরব, সিরিয়া এবং ইয়েমেনের নেতাদের দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- চুক্তি অনুযায়ী, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মূল লক্ষ্য হলো নিজেদের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদার করা এবং নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। 
- এই সনদটি ২০টি অনুচ্ছেদ নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে আরব লীগের লক্ষ্য, শাসন ব্যবস্থা, সদর দফতর এবং আরব লীগ কাউন্সিল গঠনের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে কোনো বিরোধ দেখা দিলে তা নিরসনের জন্য কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত, তা-ও এই সনদে উল্লেখ রয়েছে। 

উৎস: i) Arab League ওয়েবসাইট।
ii) Investopedia.

২০) What was the immediate cause of World War I?

  1. The attack on Pearl Harbor
  2. Germany's invasion of Poland
  3. The failure of the League of Nations
  4. The assassination of Archduke Franz Ferdinand

১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দ এবং তাঁর স্ত্রী সোফি বসনিয়ার সারায়েভো শহরে এক সার্বিয়ান জাতীয়তাবাদীর হাতে নিহত হন। এর প্রত্যক্ষ ফলশ্রুতিতে এক মাসের মাথায় ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বা The Great War ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ।
- যুদ্ধটি মূলত ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির মধ্যে সংঘটিত হলেও এর প্রভাব ছিল পৃথিবীজুড়ে।

• যুদ্ধের পটভূমি:
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কারণ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রধান ও প্রত্যক্ষ কারণ ছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন বসনিয়ার রাজধানী সারাজেভোতে অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির সিংহাসনের উত্তরাধিকারী আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্ডিনান্দ এবং তাঁর স্ত্রী সোফির হত্যাকাণ্ড। বসনীয় সার্ব তরুণ গ্যাভরিলে প্রিন্সিপ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। যার ফলে অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটে। এই ঘটনার পর ইউরোপের বিভিন্ন দেশের গোপন জোট ব্যবস্থায় (Triple Entente এবং Triple Alliance) সক্রিয় হয়ে ওঠায় স্থানীয় সংঘাতটি দ্রুত বিশ্বযুদ্ধে পরিণত হয়।

যুদ্ধের ফলাফল:
- কেন্দ্রীয় শক্তির পতন ও মিত্র শক্তির বিজয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলে ৪টি সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছিল। এগুলো হলো: রুশ, জার্মান, অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় ও অটোমান।
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের ফলে জারতন্ত্রের পতন ঘটে।
- যুদ্ধের শেষে জার্মানি পরাজিত হলে এই সাম্রাজ্যেরও অবসান ঘটে।
- অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সাম্রাজ্য ভেঙে একাধিক ছোট ছোট রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- ১৯২২ সাল নাগাদ অটোমান সাম্রাজ্য সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে যায় যা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক বিন্যাসের জন্ম দেয়। 

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

২১) Which non-enumerated entity is permanently invited to participate in all G-7 meetings?

  1. European Union
  2. African Union
  3. ASEAN
  4. SAARC

G-7:
- G7 বা Group of Seven হলো বিশ্বের ৭টি শিল্পোন্নত দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক জোট।
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ: ফ্রান্স।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- সদস্য দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- বর্তমান সভাপতি দেশ: ফ্রান্স।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

উল্লেখ্য,
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)-কে কোনো নির্দিষ্ট সদস্যপদের তালিকার অন্তর্ভুক্ত না থাকা সত্ত্বেও জি-৭-এর সকল বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য স্থায়ীভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়। ১৯৭৭ সাল থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন জি-৭-এর কার্যক্রমে পুরোপুরি অংশগ্রহণ করে আসছে।

উৎস: i) G-7 ওয়েবসাইট।
ii) Council on Foreign Relations.

২২) In which year was the Berlin Wall finally torn down?

  1. 1961
  2. 1979
  3. 1989
  4. 1991

বার্লিন প্রাচীর:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার ঐতিহাসিক নিদর্শন বার্লিন প্রাচীর।
- এ প্রাচীরের দৈর্ঘ্য ছিল ১৫৫ কি.মি।
- এই প্রাচীর জার্মানির বার্লিন শহরকে বিভক্ত করেছিল। এর একদিকে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাবে থাকা সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি এবং অপর দিকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণাধীন পুঁজিবাদী পশ্চিম জার্মানি।

উল্লেখ্য, 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি প্রধানত চারভাগে বিভক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে চলে যায়।
- স্নায়ুযুদ্ধের ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের অধীনের অংশগুলো একত্রিত করে গঠিত হয় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি) এবং সোভিয়েত ইউনিয়নেরে অধীনের অংশে গঠিত হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব জার্মানি (পূর্ব জার্মানি)।
- পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থার ফলে পশ্চিম জার্মানি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি অপেক্ষাকৃত কম উন্নত হওয়ায় এ অংশের জনগণ পশ্চিম জার্মানিতে গমন করা শুরু করে।
- এ পরিস্থিতিতে পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদের ধাক্কা যেন পূর্ব জার্মানিতে না লাগে এবং অভিবাসন যেন ঠেকানো যায় সে লক্ষ্যে তৎকালীন সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ ১৯৬১ সালে পূর্ব ও পশ্চিম বার্লিনের মাঝখানে একটি প্রাচীর নির্মাণের আদেশ দেন। তাঁর আদেশ অনুযায়ী ১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট পূর্ব জার্মানি বার্লিন শহরের মাঝ দিয়ে তৈরি করা হয় বার্লিন প্রাচীর।

• বার্লিন প্রাচীরের পতন:
- স্নায়ুযুদ্ধের সমাপ্তি ক্ষণে এই প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয়।
- ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি) একত্রিত হয়ে ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি নাম ধারণ করেছিল।

উৎস: Britannica.

২৩) What is the estimated share of the BRICS bloc in global Gross Domestic Product (GDP)? [July, 2026]

  1. 28%
  2. 32%
  3. 40%
  4. 55%

ক্রয়ক্ষমতার সমতা (PPP) বা পারচেজিং পাওয়ার প্যারিটি অনুযায়ী বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ব্রিকস জোটের অংশ প্রায় ৪০ শতাংশ। 

BRICS:
- BRICS (ব্রিকস) হলো বিশ্বের উদীয়মান প্রধান অর্থনীতিগুলোর একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক জোট যা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ভূ-রাজনীতি এবং বিশ্বব্যাপী শাসন ব্যবস্থায় প্রভাব বিস্তারের জন্য কাজ করে। এটি মূলত গ্লোবাল সাউথ দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৫টি (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা)।
- বর্তমান সদস্য: ১১টি (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, মিসর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া)।
- সহযোগী দেশ: ১০টি (বেলারুশ, বলিভিয়া, কিউবা, কাজাখস্তান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, থাইল্যান্ড, উগান্ডা, ভিয়েতনাম এবং উজবেকিস্তান)।
- বর্তমান সভাপতি দেশ: ১ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখ থেকে ভারত ব্রিকস-এর সভাপতিত্ব করছে এবং ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন করবে।
- লক্ষ্য: সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক একীকরণ, উন্নয়ন এবং পশ্চিমা আধিপত্য হ্রাস করে বহুমুখী বিশ্ব ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- BRICS-এর মোট জনসংখ্যা: বিশ্বের প্রায় ৫০%।
- BRICS-এর মোট জিডিপি: বিশ্বের প্রায় ৪০%।
- মোট বাণিজ্য: বিশ্বের প্রায় ২৬%।
- ব্রিকস পে (BRICS Pay): লঞ্চ পরিকল্পনা ২০২৬ সালে। 
- এছাড়াও, ব্রিকস ডি-ডলারাইজেশনের দিকে বাস্তব পদক্ষেপ নিচ্ছে (mBridge, BRICS Pay, ইউনিট), কিন্তু ডলারকে পুরোপুরি প্রতিস্থাপনের নীতি এখনো নেই।

উৎস: i) BRICS 2026 ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

২৪) Which country is currently the 11th full member of ASEAN?

  1. Fiji
  2. Maldives
  3. Papua New Guinea
  4. East Timor 

বর্তমানে আসিয়ানের ১১তম পূর্ণ সদস্য হলো পূর্ব তিমুর। 

ASEAN:
- ASEAN-এর পূর্ণরূপ: Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ (ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে)।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড। 
- সদরদপ্তর: জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৫টি (ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর এবং থাইল্যান্ড)।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১১টি।
- সদস্য দেশগুলো: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া ও পূর্ব তিমুর (সর্বশেষ)।
- বর্তমান সভাপতি: ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র (ফিলিপাইন)।
- মহাসচিব: কাও কিম হৌর্ন।
- আসিয়ান এখন বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি যার মোট দেশজ উৎপাদন ৩.৮ ট্রিলিয়ন ডলার এবং চীন আসিয়ানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার, যেখানে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৬৯৬.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।

২৫) Who initiated the Protestant Reformation?

  1. Martin Luther
  2. Leonardo da Vinci
  3. Niccolo Machiavelli
  4. Christopher Columbus

১৬ শতকে প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কার আন্দোলন (Protestant Reformation)-এর সূচনা করেছিলেন জার্মান ধর্মতাত্ত্বিক ও সন্ন্যাসী মার্টিন লুথার।

মার্টিন লুথার (Martin Luther):
- মার্টিন লুথারের সংস্কার আন্দোলনের ফলে প্রোটেস্ট্যান্ট খ্রিস্টধর্ম নামে একটি নতুন ধর্মীয় শাখার উদ্ভব ঘটে।
- এই আন্দোলন ১৬শ শতকে জার্মান ধর্মযাজক মার্টিন লুথারের হাত ধরে শুরু হয়েছিল এবং এর ফলে পশ্চিমা খ্রিস্টধর্মের মধ্যে রোমান ক্যাথলিক ও প্রোটেস্ট্যান্টদের মধ্যে বিভাজন দেখা দেয়।

উল্লেখ্য,
- মার্টিন লুথার (Martin Luther) ছিলেন ১৬শ শতাব্দীর একজন জার্মান ধর্ম যাজক। তিনি রিফরমেশন আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন। তিনি ক্যাথলিক চার্চের কিছু প্রথা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন।
- মার্টিন লুথার প্রধানত রোমান ক্যাথলিক চার্চ এবং তৎকালীন পোপতন্ত্রের (বিশেষ করে পোপ লিও দশম) বিরুদ্ধে রিফরমেশন আন্দোলন শুরু করেন। তিনি চার্চের ইন্ডালজেন্স, ধর্মীয় কর্তৃত্বের অপব্যবহার এবং ধর্মতাত্ত্বিক বিষয়ে বাইবেলের পরিবর্তে পোপের আধিপত্যের বিরোধিতা করেন। ১৫১৭ সালে মার্টিন লুথার তার ৯৫টি থিসিস (Ninety-Five Theses) প্রকাশ করেন যেখানে তিনি ক্যাথলিক চার্চের দুর্নীতি ও ভ্রান্তির সমালোচনা করেন।
- এই আন্দোলন প্রোটেস্ট্যান্ট ধর্মের উদ্ভব ঘটায় যা ক্যাথলিক চার্চ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে খ্রিস্টধর্মের একটি নতুন শাখা গঠন করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

Dashboard

Create Account

Fill in your details to get your unique ID.

Please fill in all required fields correctly.