Bookmarks
Back

Exam - 37 ICT: Topic: E-Commerce, Cellular Data Network, Computer Network, Information Technologies in Practical Fields, World Wide Web – WWW, Internet, Daily-Use Computing Technology, Client Server Management, Mobile Features, Tech Giants Services & News, Cloud Computing, Social Networking, Robotics, Cyber Crime.

১) What is the full form of the term "E-commerce" in the field of Information and Communication Technology?

  1. Efficient Commerce
  2. Electronic Commerce 
  3. Extended Commerce 
  4. Embedded Commerce

সঠিক উত্তর: খ) Electronic Commerce.

• E-commerce:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো Electronic Commerce (ইলেকট্রনিক কমার্স)।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ইন্টারনেট ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের মধ্যে পণ্য, সেবা বা তথ্য কেনা-বেচা এবং বাণিজ্যিক লেনদেনের সার্বিক প্রক্রিয়াকেই ই-কমার্স বলা হয়।
- এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা দূর করে ঘরে বসেই যেকোনো সময় বৈশ্বিক বাজারে যুক্ত হওয়া এবং লেনদেন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

• ই-কমার্স:
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নিজেদের সাথে বা একে অপরের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেনই হলো ই-কমার্স।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B),
২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer: B2C),
৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B),
৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer: C2C) ও
৫. এম-কমার্স (M-commerce).
উপরের শ্রেণিবিভাগ ছাড়াও নন-বিজনেস নামে একটি ই-কমার্স দেখা যায়।

• ই-কমার্স এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ফলাফল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ভোগ করতে পারে।
- ই-কমার্স পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্র সর্বজনীন।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য কোনো আইনগত জটিলতা নেই।
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সঠিক মূল্য এবং সময়ের সাথে মানানসই।
- মূলত ই কমার্স ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- ই-কমার্সে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তার খরচ অনেক কম। ফলে সুবিধা গ্রহণ করতে পারছে।
- ই-কমার্স বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনাতেও জটিলতা অনেকাংশে কমায়। যেমন দ্রব্য ও সেবা বিজ্ঞাপন ও সরবরাহসংক্রান্ত - ব্যবসায় ই-কমার্স বিশেষ সুবিধা ও সুযোগ সৃষ্টি করছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. Computer & ICT Cloud [Live Publications].

২) Which Virtual Reality device is worn on the hands to detect movement and interact with the virtual environment?

  1. Head Mounted Display
  2. Data Glove
  3. Body Suit
  4. VR Headset

• সঠিক উত্তর: খ) Data Glove.

• ডেটা গ্লোভ (Data Glove):
- ডেটা গ্লোভ হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট ডিভাইস, যা ব্যবহারকারী তার হাতে পরিধান করেন।
- এই গ্লোভসে বিভিন্ন ধরনের সেন্সর (যেমন- অপটিক্যাল বা ম্যাগনেটিক সেন্সর) যুক্ত থাকে, যা হাতের আঙুল ও কবজির সূক্ষ্ম নড়াচড়া, গতি এবং দিক নিখুঁতভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী ভার্চুয়াল জগতের কোনো বস্তু স্পর্শ করতে, তা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরাতে বা কৃত্রিম পরিবেশের সাথে সরাসরি মিথস্ক্রিয়া (Interaction) করতে পারেন।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- এটি বাস্তব নয়, তবে কৃত্রিমভাবে বাস্তব জগৎ অনুভূতি প্রদান করে।
মূল ভিত্তি: ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।

• প্রধান উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD): ব্যবহারকারীর চোখের সামনে পরিধানযোগ্য ডিসপ্লে যা ত্রিমাত্রিক দৃশ্য উপস্থাপন করে।
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove): হাতের গ্লোভস যা ব্যবহারকারীর হাতের গতিবিধি শনাক্ত করে এবং ভার্চুয়াল পরিবেশে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- বডি স্যুইট (Body Suit): পূর্ণাঙ্গ পোশাক যা শরীরের বিভিন্ন অংশে সেন্সরযুক্ত, যা স্পর্শ ও গতির অনুভূতি প্রদান করে।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব:
- শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: চিকিৎসা, সামরিক প্রশিক্ষণ, বিমানচালনা ইত্যাদিতে বাস্তব অভিজ্ঞতা ছাড়াই প্রশিক্ষণ প্রদান।
- বিনোদন: গেমিং ও সিনেমায় বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা।
- গবেষণা ও উন্নয়ন: নতুন প্রযুক্তি ও ধারণার পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

উৎস:
1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. Computer & ICT Cloud [Live Publications].

৩) What does RFID stand for?

  1. Radio-Frequency Identification
  2. Rapid Frequency Identification Device
  3. Remote Field Information Device
  4. Radio Frequency Internal Device

• RFID এর পূর্ণরূপ হলো Radio-Frequency Identification. এটি একটি প্রযুক্তি যা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে বস্তু, প্রাণী বা মানুষের তথ্য সনাক্ত এবং সংগ্রহ করতে সাহায্য করে। RFID সিস্টেমে সাধারণত থাকে একটি ট্যাগ এবং একটি রিডার। ট্যাগে তথ্য থাকে, যা রিডারের মাধ্যমে পড়া হয়। এটি বারকোডের মতই কাজ করে, তবে বেশি দূরত্ব থেকে এবং দ্রুত তথ্য পাঠাতে পারে। RFID প্রযুক্তি ব্যবহার হয় লজিস্টিকস, গুদামজাতকরণ, পণ্য সনাক্তকরণ, নিরাপত্তা ও টোল কালেকশনে। তাই, RFID হলো Radio-Frequency Identification যা দ্রুত ও নির্ভুল সনাক্তকরণ নিশ্চিত করে।

সঠিক উত্তর: ক) Radio-Frequency Identification.

• RFID:
- RFID প্রযুক্তি ১৯৭০ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার হয়।
- এর পূর্ণরূপ: Radio Frequency Identification.
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- যা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে বস্তু বা ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে।
- ২০ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত দূরত্ব বস্তু চিহ্নিত করা যায়।​

• প্রযুক্তির উপাদান:
- ট্যাগ (Tag): ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণকারী চিপ ও অ্যান্টেনা।
- রিডার (Reader): ট্যাগ থেকে তথ্য পড়ে ডাটাবেসে প্রেরণকারী ডিভাইস।​

• কার্যপ্রণালী:
- রিডার রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে।
- ট্যাগ সেই তরঙ্গ গ্রহণ করে তথ্য প্রেরণ করে।
- রিডার প্রাপ্ত তথ্য ডাটাবেসে আপডেট করে।​

• ব্যবহার ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ির চাবি ও নিরাপত্তা প্রবেশ কার্ড: অ্যাক্সেস কন্ট্রোল।
- সুরক্ষা ও উপস্থিতি ট্র্যাকিং।
- স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা।
- স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়।
- স্টক ম্যানেজমেন্ট,
- পশুদের পরিচয় নিশ্চিতকরণ।​

• নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা:
- RFID কার্ডে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষিত থাকে না।
- শুধু একটি নম্বর থাকে, যা নিরাপদ ডাটাবেসে সংরক্ষিত তথ্যের দিকে নির্দেশ করে।
- তথ্য এনক্রিপশন ও পাসওয়ার্ড সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

• উদাহরণস্বরূপ:
- NEXUS, SENTRI, FAST.
- ১৯৯৫ সাল থেকে সীমান্তে যাত্রীদের দ্রুত প্রবেশের জন্য ভিসিনিটি RFID প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছে।

উৎস:
১। Computer & ICT Cloud [Live Publications].
২। Homeland Security [লিংক]

৪) Which computer network model combines the features of both Client-Server and Peer-to-Peer networks to manage corporate business operations?

  1. Client-Server Network
  2. Peer-to-Peer Network
  3. Hybrid Network
  4. Centralized Network

সঠিক উত্তর: গ) Hybrid Network.

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network):
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক হলো এমন একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা যা পিয়ার-টু-পিয়ার (P2P) এবং ক্লায়েন্ট-সার্ভার (Client-Server) উভয় নেটওয়ার্কের কার্যকারী বৈশিষ্ট্য ও সুবিধাকে একত্রে যুক্ত করে তৈরি করা হয়।
- বৃহৎ কর্পোরেট বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোতে যেখানে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ও ডেটা প্রসেসিংয়েরও প্রয়োজন হয়, আবার বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে স্বাধীনভাবে সরাসরি রিসোর্স শেয়ারিংয়েরও দরকার হয়, সেখানে এই নেটওয়ার্ক সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।
- এই নেটওয়ার্কে মূল কাঠামোতে ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলের প্রাধান্য বেশি থাকে, তবে ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক বা গ্লোবাল স্টোরেজ মিডিয়ার মতো পিয়ার-টু-পিয়ার বৈশিষ্ট্যও সমানভাবে বিদ্যমান থাকে।
  
নেটওয়ার্ক:
- নেটওয়ার্কে বিদ্যমান ডিভাইসসমূহ কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে এবং সেগুলোর সার্ভিস মডেল কেমন হবে, তার উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে নিম্নরুপে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network)
২. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network)
৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)

পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পৃথক সার্ভার কম্পিউটার ব্যতীত দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে রিসোর্স শেয়ার করার জন্য যে নেটওয়ার্ক গঠন করা হয় তা হলো পিয়ার-টু- পিয়ার নেটওয়ার্ক।

ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network):
- একাধিক ক্লায়েন্ট/ওয়ার্কস্টেশন ও একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সমন্বয়ে ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- এখানে সার্ভার কম্পিউটারে কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা জমা রাখা হয় এবং এসব ডেটা নেটওয়ার্কে অবস্থিত ক্লায়েন্ট কম্পিউটার কর্তৃক রিসোর্স হিসেবে ব্যবহার (শেয়ার) করা হয়।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network):
- এটি মূলত পিয়ার-টু-পিয়ার ও ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- এক্ষেত্রে হোস্ট কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ও প্রসেসিং-এর পাশাপাশি ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য (যেমন- গ্লোবাল স্টোরেজ মিডিয়া) বিদ্যমান থাকায় কর্পোরেট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে এর জনপ্রিয়তা রয়েছে।
- এই নেটওয়ার্কে ক্লায়েন্ট সার্ভারের প্রাধান্য বেশি থাকে।

উৎস:
1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
2. Computer & ICT Cloud [Live Publications].

৫) Which core hardware component is most commonly used in modern embedded systems to integrate memory and input/output interfaces on a single chip?

  1. Desktop Processor
  2. Microcontroller
  3. Hard Disk Drive 
  4. Graphics Processing Unit

সঠিক উত্তর: ক) Microcontroller.

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না।

• মাইক্রোকন্ট্রোলার (Microcontroller):
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমের মূল চালিকাশক্তি হলো মাইক্রোকন্ট্রোলার।
- এটি হলো একটি সিঙ্গেল ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) বা চিপ, যার ভেতরে প্রসেসর কোর, সীমিত মেমরি (RAM, ROM) এবং ইনপুট/আউটপুট (I/O) পেরিফেরালস একসঙ্গে বিল্ট-ইন বা এমবেড করা থাকে।
- যেহেতু এটি একটি ছোট চিপের মধ্যে সমস্ত প্রয়োজনীয় উপাদান ধারণ করে, তাই এটি এম্বেডেড সিস্টেমের ছোট আকার, কম শক্তি ব্যবহার এবং নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।

উৎস:
1. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
2. Computer & ICT Cloud [Live Publications].

৬) If failure of one device leads to failure of the entire network, which topology is this?

  1. Mesh
  2. Ring
  3. Star
  4. None of the above

• যদি একটি ডিভাইসের ব্যর্থতা পুরো নেটওয়ার্কের ব্যর্থতার কারণ হয়, তাহলে সেই টপোলজিটি হলো Ring topology. রিং টপোলজিতে সব ডিভাইসগুলো একটি বৃত্তাকারে যুক্ত থাকে এবং ডাটা এক ডিভাইস থেকে আরেক ডিভাইসে পাস হয়। এক একটি ডিভাইস বন্ধ বা ব্যর্থ হলে ডাটা প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়, ফলে পুরো নেটওয়ার্ক ব্যর্থ হয়ে যায়। অন্যদিকে, মেশ টপোলজিতে একাধিক পথ থাকার কারণে এক ডিভাইসের সমস্যা পুরো নেটওয়ার্কে প্রভাব ফেলে না, আর স্টার টপোলজিতে কেন্দ্রীয় হাব ব্যর্থ হলে নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়, কিন্তু একটি ডিভাইসের ব্যর্থতা পুরো নেটওয়ার্ককে প্রভাবিত করে না। 

• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে;
- এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমূখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।

উৎস:
1. কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. Computer & ICT Cloud [Live Publications].

৭) Which of the following cellular technologies provides international roaming features, allowing users to use their SIM cards in different countries?

  1. CDMA
  2. GSM
  3. P2P
  4. LAN

সঠিক উত্তর: খ) GSM.

• আন্তর্জাতিক রোমিং এবং GSM:
- জিএসএম (GSM) প্রযুক্তির সবচেয়ে সহজ ও ব্যবহারকারী-বান্ধব সুবিধা হলো এর আন্তর্জাতিক রোমিং (International Roaming) সুবিধা।
এর ফলে একজন ব্যবহারকারী নিজ দেশের বাইরে অন্য কোনো দেশে ভ্রমণ করলেও তার নিজস্ব সিম কার্ড এবং মোবাইল নম্বরটি সচল রেখে কথা বলা, বার্তা পাঠানো বা ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুবিধা পান। 

• মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. GSM (Global System for Mobile Communication):
- GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE (Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।

২. CDMA (Code Division Multiple Access):
- এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
- মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।

অন্যান্য অপশন:
CDMA: এই প্রযুক্তিতে কোনো আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা থাকে না, যার ফলে এক দেশের সিডিএমএ ফোন বা সিম অন্য দেশে সরাসরি কাজ করে না।
P2P: এটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি ডাটা ও রিসোর্স শেয়ারিং মডেল, এটি কোনো মোবাইল সেলুলার সংযোগ প্রযুক্তি নয়।
LAN: এর পূর্ণরূপ হলো লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক, যা একটি নির্দিষ্ট অফিস বা বাড়ির ভেতরের তারযুক্ত বা তারহীন কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে বোঝায়।

উৎস: ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
৩। Computer & ICT Cloud [Live Publications].

৮) Which cloud computing service model provides users with basic computing resources such as network, CPU, and storage to run their own operating systems?

  1. Software as a Service
  2. Platform as a Service (PaaS)
  3. Infrastructure as a Service
  4. Data as a Service (DaaS)

সঠিক উত্তর: গ) Infrastructure as a Service (IaaS)

• (Infrastructure as a Service - IaaS):
- IaaS হলো ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের এমন একটি মৌলিক সার্ভিস মডেল যেখানে ব্যবহারকারীকে কোনো ভৌত বা ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যার কিনতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব ডেটা সেন্টারে থাকা শক্তিশালী নেটওয়ার্ক, প্রসেসিং পাওয়ার (CPU), মেমরি এবং স্টোরেজ ভার্চুয়াল উপাদান হিসেবে ব্যবহারকারীকে ভাড়া দেয়।
- এই পরিকাঠামো বা অবকাঠামোর ওপর ব্যবহারকারী সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নিজের পছন্দমতো অপারেটিং সিস্টেম (যেমন- Linux বা Windows) এবং প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ইনস্টল করে তা চালাতে পারেন।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা-
১. Resource Flexibility/Scalability: ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. On Demand: ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. Pay as you go: ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল: 
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 
- এর প্রধান উদাহরণ হলো AWS EC2 (Elastic Compute Cloud), Microsoft Azure VMs, Google Compute Engine (GCE), DigitalOcean Droplets এবং OpenStack।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 
- এর প্রধান উদাহরণ হলো Heroku, Google App Engine, AWS Elastic Beanstalk, Apache Stratos এবং Red Hat OpenShift।

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 
- এর প্রধান উদাহরণ হলো Google Workspace (Gmail, Docs, Drive), Microsoft 365, Salesforce, Zoom, Dropbox।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩) Computer & ICT Cloud [Live Publications].

৯) What is the term used for sending a large volume of unsolicited or unwanted emails and messages to users?

  1. Sniffing
  2. Phishing
  3. Spamming
  4. Sneaking

• সঠিক উত্তর: গ) Spamming.

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত, অবাঞ্ছিত বা অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল কিংবা মেসেজ একসাথে বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারীর কাছে পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
সাধারণত বিভিন্ন বাণিজ্যিক পণ্যের বিজ্ঞাপন, ভুয়ো অফার কিংবা ম্যালওয়্যার ছড়ানোর উদ্দেশ্যে এই ধরনের মেসেজ পাঠানো হয়।
- যারা এই কাজগুলো করে, তাদের স্প্যামার (Spammer) বলা হয়।
- আধুনিক ই-মেইল সার্ভিসগুলোতে এই ধরনের মেইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিল্টার করার জন্য 'Spam' নামক আলাদা ফোল্ডার থাকে।

বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০) Which type of organization typically utilizes a Metropolitan Area Network (MAN) to connect its various branch offices located throughout the same city?

  1. A multinational corporation connecting offices across continents
  2. A small home office connecting a laptop to a printer
  3. A bank or educational institution connecting branches within a city
  4. A single retail shop connecting its cash registers in a building

• সঠিক উত্তর: গ) A bank or educational institution connecting branches within a city.

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN) মূলত সেইসব মাঝারি ও বৃহৎ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যাদের একটি নির্দিষ্ট শহরের বা মেট্রোপলিটন এলাকার বিভিন্ন স্থানে একাধিক শাখা অফিস বা ক্যাম্পাস রয়েছে।
- এর সবচেয়ে সাধারণ উদাহরণ হলো বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ (যাদের একটি শহরের বিভিন্ন এলাকায় শাখা বা এটিএম বুথ থাকে) এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বিশ্ববিদ্যালয় (যাদের একাধিক দূরবর্তী ক্যাম্পাস একই শহরের মধ্যে ছড়িয়ে থাকে)।
- এই প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব গোপনীয়তা, উচ্চ গতি এবং নিরাপদ ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করতে শহরের বিভিন্ন সংযোগকে MAN-এর আওতায় নিয়ে আসে।
 
• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক(MAN):
- এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

অন্যান্য অপশন:
ক) A multinational corporation connecting offices across continents: এটি মহাদেশব্যাপী বিস্তৃত একটি বিশাল ভৌগোলিক পরিধি, যার জন্য ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN) বা গ্লোবাল ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন হয়।
খ) A small home office connecting a laptop to a printer: এটি একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র ব্যক্তিগত পরিসর, যা পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) বা লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
ঘ) A single retail shop connecting its cash registers in a building: এটি একটি নির্দিষ্ট ভবনের ভেতরের সীমাবদ্ধ সংযোগ, যা সম্পূর্ণভাবে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) এর আওতাভুক্ত।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Computer & ICT Cloud [Live Publications].

১১) What is the name of the first industrial robot developed by American inventor George Charles Devol?

  1. Murata Boy
  2. Robororo
  3. Sophia
  4. Unimate

সঠিক উত্তর: ঘ) Unimate.

• Unimate:
- আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল ইতিহাসের সর্বপ্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল বা শিল্প কারখানায় ব্যবহারের উপযোগী রোবট ডিজাইন করেন, যার নাম ছিল 'ইউনিমেট' (Unimate)।
- এটি ১৯৬১ সালে জেনারেল মোটরস (General Motors)-এর একটি উৎপাদন লাইনে প্রথম কাজ শুরু করে। এই রোবটটি মূলত উত্তপ্ত ও ভারী ধাতুর টুকরো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরের মতো বিপজ্জনক কাজগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে উৎপাদন শিল্পে এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছিল।

• রোবট ও রোবোটিক্স:
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
- স্যামসাং কোম্পানির রোবট 'রোবোরো'।
- হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির রোবট 'সোফিয়া'।
- সনি কর্পোরেশন কোম্পানির রোবট 'আইবো'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।

উৎস:
1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। ২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. Computer & ICT Cloud [Live Publications].

১২) What can an IMEI number help with?

  1. Speeding up internet
  2. Improving camera quality
  3. Increasing battery life
  4. Tracking lost or stolen phones

 • IMEI (International Mobile Equipment Identity) নম্বর মূলত মোবাইল ফোন শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে ঘ) Tracking lost or stolen phones-ই সঠিক উত্তর। কারণ প্রতিটি মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর আলাদা ও অনন্য হয়, যা নেটওয়ার্ক অপারেটর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ফোনটি সনাক্ত করতে ব্যবহার করতে পারে। ফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে IMEI নম্বরের মাধ্যমে সেটি ব্লক করা যায়, ফলে চোর ফোনটি ব্যবহার করতে পারে না। তবে IMEI নম্বর ইন্টারনেটের গতি বাড়ানো, ক্যামেরার মান উন্নত করা বা ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়ানোর সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।

What can an IMEI number help with?- IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো একটি অনন্য ১৫ ডিজিটের নম্বর যা মোবাইল ফোন বা অন্যান্য মোবাইল ডিভাইসের সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যারের সাথে সম্পর্কিত, এবং এটি একটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের জন্য এককভাবে নির্ধারিত থাকে।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের ট্র্যাকিং এবং চুরির পরেও ফোন শনাক্ত করা সম্ভব।
- IMEI নম্বরটি ফোনের সেটিংস এ অথবা ফোনের ব্যাটারি এর নিচে (কিছু ডিভাইসে) মুদ্রিত থাকে।
- IMEI নম্বরটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে, মোবাইল ফোনের অপারেটর বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফোন ব্লক করা যেতে পারে, যার ফলে ফোনটি ব্যবহারযোগ্য থাকবে না।
- IMEI নম্বর সাধারণত সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের বৈধতা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে একটি ডিভাইসের উৎপাদন দেশ, কোম্পানি এবং মডেল সম্পর্কিত তথ্যও পাওয়া যায়।- IMEI নম্বরটি ফোনের নিরাপত্তা এবং মালিকানার প্রমাণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
- IMEI পরিবর্তন বা তাতে কোনো ধরনের ম্যানিপুলেশন অবৈধ এবং আইনত দণ্ডনীয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের চুরি ঠেকানো এবং সঠিকভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৩) Which of the following is a behavioral biometric? 

  1. Facial recognition 
  2. Hand geometry
  3. Iris recognition
  4. Signature verification

• বিহেভিয়ারাল বায়োমেট্রিক্স হলো ব্যবহারকারীর আচরণ বা শারীরিক নয়, বরং তাদের আচরণগত (behavioral) বৈশিষ্ট্য নির্ণয়ের প্রযুক্তি। এর মধ্যে প্রধান উদাহরণ হলো ঘ) Signature verification। এটি ব্যবহারকারীর স্বাক্ষরের ধরণ, চাপ, গতি ও ধরন বিশ্লেষণ করে তার সনাক্তকরণ করে।
- অন্যদিকে, ক) Facial recognition, খ) Hand geometry এবং গ) Iris recognition হলো শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স (Physiological biometric) পদ্ধতি, যা শারীরিক গঠন ও বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করে। তাই, Signature verification আচরণভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত।

• বায়োমেট্রিক্স: 
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
-এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
-আঙুলের ছাপ,
-হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
-মুখমন্ডলের অবয়ব,
-চোখের আইরিস শনাক্তকরণ,
-ডিএনএ শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
-কন্ঠস্বর যাচাইকরণ,
-স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
-কীবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান

১৪) Which OSI layer is responsible for end-to-end communication and error recovery?

  1. Transport
  2. Session
  3. Network
  4. Data Link

• OSI মডেলের যে স্তরটি end-to-end যোগাযোগ এবং error recovery এর জন্য দায়ী, তা হল Transport layer (ক)। এই স্তরটি ডাটা প্যাকেটকে উৎস থেকে গন্তব্য পর্যন্ত সঠিকভাবে পৌঁছানোর দায়িত্ব পালন করে। এটি ডাটা ট্রান্সফারে নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে, যেমন প্যাকেটগুলোর সঠিক ক্রম বজায় রাখা এবং হারিয়ে গেলে পুনরায় পাঠানো। এছাড়া, Transport layer কন্ট্রোল মেকানিজম ব্যবহার করে যোগাযোগের গুণগত মান বজায় রাখে এবং error detection ও correction করে। অন্য স্তরগুলো যেমন Session, Network, ও Data Link বিভিন্ন কাজের জন্য দায়িত্বশীল হলেও, end-to-end communication এবং error recovery মূলত Transport layer এর কাজ। তাই সঠিক উত্তর হলো (ক) Transport.

• এই ৭টি লেয়ার হলো:
- Physical Layer (ফিজিক্যাল লেয়ার),
- Data Link Layer (ডেটা লিংক লেয়ার),
- Network Layer (নেটওয়ার্ক লেয়ার),
-Transport Layer (ট্রান্সপোর্ট লেয়ার),
- Session Layer (সেশন লেয়ার),
- Presentation Layer (প্রেজেন্টেশন লেয়ার),
- Application Layer (অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার)।
- এই স্তরগুলো একসাথে কাজ করে যাতে বিভিন্ন কম্পিউটার বা ডিভাইস একে অপরের সঙ্গে সঠিকভাবে যোগাযোগ করতে পারে।

• OSI মডেলের লেয়ার গুলোর কাজ সমূহ:
- Physical Layer – ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
- Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
- Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
- Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
- Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
- Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
- Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

সূত্র:
১। Computer & ICT Cloud [Live Publications].
২। geeksforgeeks [লিংক]

১৫) What is Microsoft’s cloud computing platform called?

  1. IBM Cloud
  2. AWS
  3. Salesforce
  4. Azure

• Microsoft-এর ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মের নাম হলো Azure (ঘ)। Microsoft Azure একটি শক্তিশালী ও জনপ্রিয় ক্লাউড সেবা, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভার, স্টোরেজ, ডেটাবেস, নেটওয়ার্কিং, সফটওয়্যার, অ্যানালিটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো নানা সেবা প্রদান করে। এর মাধ্যমে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নিজের অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, চালানো এবং ব্যবস্থাপনা করতে পারে, তাও আবার নিজস্ব হার্ডওয়্যার ব্যবহার না করেই। Azure ছোট ব্যবসা থেকে শুরু করে বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের জন্য নিরাপদ, স্কেলযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য ক্লাউড সমাধান দেয়। তাই Microsoft-এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম হিসেবে Azure-ই সঠিক উত্তর।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫। 
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা (তথ্য: জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত)।

• কিছু বিখ্যাত ক্লাউড প্লাটফর্মের উদাহরণ:
- Amazon Web Services (AWS) – Parent Company: Amazon,
- Microsoft Azure – Parent Company: Microsoft,
- Google Cloud Platform (GCP) – Parent Company: Google,
- IBM Cloud – Parent Company: IBM,
- Oracle Cloud – Parent Company: Oracle,
- Salesforce – Parent Company: Salesforce,
- Alibaba Cloud – Parent Company: Alibaba Group,
- DigitalOcean – Parent Company: DigitalOcean,
- VMware Cloud – Parent Company: VMware,
- Huawei Cloud – Parent Company: Huawei.

উৎস: মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৬) Which IEEE standard defines WiMAX technology?

  1. IEEE 802.11
  2. IEEE 802.15
  3. IEEE 802.16
  4. IEEE 802.3

 • WiMAX প্রযুক্তি বিশেষভাবে সংজ্ঞায়িত করে IEEE 802.16 মানটি। WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) হলো একটি ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি যা উচ্চ গতির ইন্টারনেট এবং ডেটা সার্ভিস সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়। IEEE 802.16 মানটি ডিজাইন করা হয়েছে ওয়্যারলেস ম্যান রিজিওনাল এরিয়া নেটওয়ার্কের জন্য, যা বিভিন্ন ধরনের দূরবর্তী এবং শহুরে এলাকায় দ্রুত এবং দীর্ঘ দূরত্বে ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করে।

• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX): 
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- এটি এমন এক যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগোলিক অঞ্চলে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- স্পীড প্রায় 1000 Mbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর Frequency প্রায় 2-66 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE standard হচ্ছে IEEE 802.16 

অন্যান্য অপশন:
- IEEE 802.11: Wi-Fi (ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- IEEE 802.15: Bluetooth ও Zigbee-এর মতো পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN)-এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- EEE 802.3: ইথারনেট (Ethernet) বা তারযুক্ত LAN-এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
1. Computer & ICT Cloud [Live Publications],
2. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১৭) Which of the following attributes highlights a key capability of ChatGPT in generating human-like creative text?

  1. Developing real-time pharmaceutical drug formulas
  2. Scriptwriting for television shows and composing original songs
  3. Hosting distributed server networks independently
  4. Enhancing hardware processing units physically

সঠিক উত্তর: খ) Scriptwriting for television shows and composing original songs

• চ্যাটজিপিটি-এর কন্টেন্ট তৈরির বৈশিষ্ট্য:
- চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)-এর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর মানুষের মতো সৃজনশীল ও সাবলীল ভাষা ব্যবহারের ক্ষমতা। এটি জটিল প্রোগ্রামিং কোড লেখার পাশাপাশি বিনোদন ও গণমাধ্যম জগতের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।
- এটি মানুষের দেওয়া সুনির্দিষ্ট থিম বা আইডিয়া ব্যবহার করে নিখুঁতভাবে টেলিভিশন শোয়ের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখতে পারে এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয় উপায়ে বিভিন্ন ধরনের নতুন গান বা লিরিক্স লিখে দিতে পারে, যা এর উচ্চতর ভাষাগত ও সৃজনশীল দক্ষতাকে প্রমাণ করে।

• ChatGPT (চ্যাটজিপিটি):
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot), যার নাম ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।
- এটি কম্পিউটার কোড তৈরি করতে পারে।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট লিখতে পারে।
- এমনকি টেলিভিশন শোয়ের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখতে পারে।
- এটি মানুষের সাথে মানুষের মত স্বাভাবিক আলাপচারিতা করতে পারে。
- যে কোনো গাণিতিক সমস্যা সহজেই সমাধান করতে পারে।
- যে কোনো টপিকের উপর কন্টেন্ট তৈরি করতে পারে।
- অবাক করা বিষয় হচ্ছে এটি আপনার জন্য গানও লিখে দিতে পারে।

অন্যান্য অপশন:
- Developing real-time pharmaceutical drug formulas: চ্যাটজিপিটি সাধারণ বৈজ্ঞানিক তথ্য ও গবেষণামূলক টেক্সট সরবরাহ করতে পারলেও সরাসরি ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ছাড়া বাস্তবসম্মত ও নিখুঁত ওষুধ তৈরির ফর্মুলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করতে পারে না।
- Hosting distributed server networks independently: এটি কোনো ক্লাউড হোস্টিং বা সার্ভার ম্যানেজমেন্ট টুল নয়, তাই এটি স্বাধীনভাবে কোনো ডিস্ট্রিবিউটেড সার্ভার নেটওয়ার্ক হোস্ট করতে সক্ষম নয়।
- Enhancing hardware processing units physically: একটি সফটওয়্যার ও ডাটা-ভিত্তিক এআই মডেল হওয়ায় এটি কম্পিউটারের ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যার বা প্রসেসিং ইউনিটের ক্ষমতা শারীরিকভাবে বৃদ্ধি করতে পারে না।

উৎস: Britannica

১৮) Which of the following is commonly targeted in data diddling?

  1. Operating system logs
  2. Hardware devices 
  3. Input data like invoices, payroll, or grades
  4. Network bandwidth

 • সঠিক উত্তর হলো: গ) Input data like invoices, payroll, or grades.

- ডাটা ডিডলিং (Data Diddling) হলো একটি ধরনের সাইবারক্রাইম যেখানে আক্রমণকারী বা ভুক্তভোগী ব্যক্তি ডেটা ইনপুট করার সময় তা চুপিচুপি পরিবর্তন করে। মূলত এটি মূল ডেটা- যেমন ইনভয়েস, পে-রোল, ছাত্রের গ্রেড ইত্যাদি- লক্ষ্য করে, যাতে পরে সিস্টেম সেই ভুল বা পরিবর্তিত তথ্য ব্যবহার করে। উদাহরণস্বরূপ, পে-রোল বা ইনভয়েসের ডেটা পরিবর্তন করে অর্থ বা সুবিধা চুরি করা যায়। সাধারণত এটি হ্যাকিং বা ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে হয় না, বরং ব্যবহারকারীর অ্যাক্সেসের মাধ্যমে ঘটে।
- অন্যদিকে অপারেটিং সিস্টেম লগ, হার্ডওয়্যার ডিভাইস বা নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ সাধারণত ডাটা ডিডলিং-এর লক্ষ্য নয়।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৯) The Internet spans large geographical areas. Which network does this make it?

  1. VPN
  2. MAN
  3. WAN
  4. LAN

• ইন্টারনেট বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে বিস্তৃত থাকায় এটি একটি WAN (Wide Area Network) হিসেবে পরিচিত। WAN হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যা শহর, দেশ, এমনকি মহাদেশ জুড়ে বিস্তৃত থাকে এবং অনেক ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে একত্রিত করে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের কম্পিউটার ও ডিভাইস একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা LAN (Local Area Network) বা MAN (Metropolitan Area Network) এর চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত। VPN (Virtual Private Network) হলো নিরাপদ সংযোগের একটি প্রযুক্তি, যা WAN বা অন্যান্য নেটওয়ার্কের ওপর কাজ করে। তাই, ইন্টারনেটের বিশাল বিস্তৃততার জন্য এটি WAN ধরণের নেটওয়ার্ক।

• WAN (Wide Area Network):
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে থাকে, যেমন একই দেশের বিভিন্ন শহরে এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN এবং MAN সংযুক্ত থাকতে পারে।
- এই নেটওয়ার্ককে WAN বা ইন্টারনেট বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, ওয়্যারলেস রাউটার এবং অপটিক্যাল যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য আদান-প্রদানের জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক বেশি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০) SWIFT is often mistaken for a bank. What is it actually?

  1. A payment processing network
  2. A cryptocurrency platform 
  3. A commercial bank
  4. A central bank

 •  SWIFT প্রায়ই একটি ব্যাংক হিসেবে ভুল বোঝা হয়, কিন্তু এটি আসলে ব্যাংক নয়। SWIFT হলো একটি আন্তর্জাতিক পেমেন্ট প্রসেসিং নেটওয়ার্ক যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংকের মধ্যে নিরাপদ এবং দ্রুত অর্থ লেনদেনের সুবিধা প্রদান করে। এটি নিজে কোনো টাকা রাখে বা ঋণ দেয় না, বরং ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে বার্তা এবং পেমেন্ট নির্দেশাবলী আদান-প্রদানের জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ডাইজড প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে টাকা পাঠাতে চায়, তার ব্যাংক SWIFT নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে প্রাপক ব্যাংকের সাথে সংযোগ স্থাপন করে লেনদেন সম্পন্ন করে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) A payment processing network.

• SWIFT Code:
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামে ভিত্তিক একটি আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক।
- SWIFT এর মাধ্যমে ব্যাংক লেনদেনের পরিচয় বা শনাক্তকরণ করা হয়।
- SWIFT এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক সরবরাহ করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদে টাকা স্থানান্তর ও অন্যান্য তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।
- এই শনাক্তকরণ মূলত সংকেতলিপি বা কোডের মাধ্যমে করা হয়।
- লেনদেনের বার্তা (wire) এই সুইফট কোড ব্যবহার করে আদান-প্রদান করা হয়।
- বিশ্বের ২০০-এর বেশি দেশে প্রায় ১১ হাজার ব্যাংক SWIFT ব্যবহার করে।
- সুইফট আন্তর্জাতিকভাবে অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোড পরিচালনা করে।
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে SWIFT - এর সেবা ব্যবহার করে।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

২১) Which of the following is a common use of NFC?

  1. Email transmission
  2. Contactless payments 
  3. Satellite communication
  4. Long-distance video streaming

• সঠিক উত্তর হলো খ) Contactless payments.

- NFC বা Near Field Communication হলো একটি ছোট দূরত্বের ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা সাধারণত ৪ সেন্টিমিটার বা তার কম দূরত্বে কাজ করে। এটি ব্যবহার করা হয় ডিভাইসগুলোর মধ্যে দ্রুত এবং নিরাপদ তথ্য আদানপ্রদানের জন্য। সবচেয়ে পরিচিত ব্যবহার হলো কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্ট, যেমন মোবাইল ফোন বা স্মার্ট কার্ড দিয়ে দোকানে পেমেন্ট করা। NFC ব্যবহারকারীরা শুধু ডিভাইসটি পেমেন্ট টার্মিনালের কাছে স্পর্শ করলেই লেনদেন সম্পন্ন করতে পারে, যা দ্রুত এবং নিরাপদ। অন্য বিকল্প যেমন ইমেইল পাঠানো, স্যাটেলাইট যোগাযোগ বা দীর্ঘদূরত্বের ভিডিও স্ট্রিমিং-এর জন্য NFC ব্যবহার হয় না।

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২২) ARPANET eventually evolved into what we now call:

  1. Ethernet
  2. Intranet
  3. Local Area Network (LAN) 
  4. Internet

• ARPANET ছিল একটি প্রাথমিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা মূলত গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান সহজ করার জন্য ১৯৬০-এর দশকে তৈরি হয়। এটি প্রথমে ছোটো সংখ্যা গবেষণাগারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছিল, কিন্তু ধীরে ধীরে এর নকশা এবং প্রোটোকল উন্নয়নের মাধ্যমে বিস্তৃত নেটওয়ার্কে পরিণত হয়। ARPANET-এর প্রযুক্তি এবং আইডিয়াগুলো পরবর্তীতে TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার সংযোগের ভিত্তি গড়ে তোলে। এই প্রসেসের ফলে এটি এক সমন্বিত, বৃহৎ, এবং পাবলিক নেটওয়ার্কে রূপান্তরিত হয়, যা আমরা আজ “ইন্টারনেট” নামে চিনে থাকি। তাই ARPANET-এর সরাসরি উত্তর হলো ঘ) Internet.
 
• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩) Which device is commonly used as the central node in a star topology?

  1. Repeater
  2. Hub
  3. Modem
  4. Router

• স্টার টপোলজিতে নেটওয়ার্কের প্রতিটি ডিভাইস (কম্পিউটার, প্রিন্টার ইত্যাদি) একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। এই কেন্দ্রীয় ডিভাইসটি তথ্য আদান-প্রদানের জন্য একটি হাবের মতো কাজ করে এবং নেটওয়ার্কের যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করে। স্টার টপোলজিতে হাব (Hub) হলো সবচেয়ে সাধারণভাবে ব্যবহৃত কেন্দ্রীয় নোড, যা নেটওয়ার্কে প্রাপ্ত ডেটা সব সংযুক্ত ডিভাইসে প্রেরণ করে। অন্য ডিভাইস যেমন রিপিটার, মোডেম বা রাউটার সরাসরি কেন্দ্রীয় নোড হিসেবে ব্যবহার হয় না। তাই স্টার টপোলজিতে কেন্দ্রীয় নোড হিসেবে সাধারণত হাব (Hub) ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: খ) Hub.

​• হাব: 
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা। 
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। 
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে। 
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়। 
​
- কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। 
যথা- 
১। সক্রিয় হাব (Active HUB): 
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে, আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে। 
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে। 

২। নিষ্ক্রিয় হাব (Passive HUB): 
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে। 
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র। এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪) Which of these is used to locate websites on the WWW?

  1. FTP
  2. DNS
  3. IP address
  4. URL

• ওয়েবে (WWW) কোনো ওয়েবসাইট খুঁজে পেতে URL (Uniform Resource Locator) ব্যবহার করা হয়। URL হলো সেই ঠিকানা যা ব্রাউজারে টাইপ করলে আপনি সরাসরি নির্দিষ্ট ওয়েবপেজে পৌঁছাতে পারেন। এটি মূলত ওয়েব সার্ভারের অবস্থান এবং ওয়েবপেজের অবস্থান নির্দেশ করে। অন্যদিকে, IP address হলো সার্ভারের নির্দিষ্ট সংখ্যাগত ঠিকানা, DNS (Domain Name System) হলো সেই সিস্টেম যা ডোমেইন নামকে IP ঠিকানায় রূপান্তর করে, এবং FTP (File Transfer Protocol) হলো ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল। সুতরাং ওয়েবসাইট লোকেট করার সরাসরি ওয়েব ঠিকানা হলো URL।

- উত্তর: ঘ) URL.

• URL:
- URL-এর পূর্ণরূপ: Uniform Resource Locator.
- একটি ওয়েবসাইট বা পেইজের পুর্ণাঙ্গ অ্যাড্রেসকে URL বলে।
= যেমন: http://www.xyz.com. এইটিই একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েব অ্যাড্রেস বা URL.
- শুধুমাত্র www.xyz.com বা, xyz.com কে URL বলা হয় না।

⇒ একটি URL এর তিনটি অংশ থাকে:
i) প্রোটোকলের নাম,
ii) হোস্টনেইম এবং
iii) ফাইল নেইম।

• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www foundation.

২৫) Which of the following is true about IPv6 headers compared to IPv4 headers?

  1. IPv6 headers are variable in length.
  2. IPv6 headers are larger and more complex than IPv4. 
  3. IPv6 headers are fixed in length and simplified. 
  4. IPv6 headers still use a checksum like IPv4.

• IPv6 হেডারগুলোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে সঠিক তথ্য হলো যে এগুলো স্থির দৈর্ঘ্যের (fixed in length) এবং সরলীকৃত (simplified)। IPv4 হেডারের তুলনায়, IPv6 হেডারে কিছু ক্ষেত্র বাদ দেওয়া হয়েছে যেমন চেকসাম (checksum), হেডার লেন্থ, এবং কিছু বিকল্প ফিল্ড, যার ফলে হেডারটি সহজ এবং প্রক্রিয়াকরণে দ্রুত। এটি নেটওয়ার্ক ডিভাইসগুলোকে দ্রুত রাউটিং করতে সাহায্য করে। IPv6 হেডার সবসময় ৪০ বাইট দৈর্ঘ্যের হয়, যেখানে IPv4 হেডারের দৈর্ঘ্য পরিবর্তনশীল হতে পারে।
- তাই উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) IPv6 headers are fixed in length and simplified.

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) বলা হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) এর পূর্ণ রূপ হলো Internet Protocol Address.

• IP Address এর দুটি ভার্সন রয়েছে:
1. IPv4:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 4 টি অকটেট থাকে।
- প্রতিটি অকটেট ৪ বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি অকটেট ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে। যেমন: 11110000.01010110.11100010.01011100
- মোট 32 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 232 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায় ৷

2. IPv6:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট ৪ টি ভাগ থাকে।
- প্রতিটি ভাগে 16 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি ভাগ ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
- মোট 128 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 2128 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

Dashboard

Create Account

Fill in your details to get your unique ID.

Please fill in all required fields correctly.