Exam - 3 Bangla : Topic: শব্দ ও পদের গঠন, বানান, শব্দের উৎস, শব্দের শ্রেণি বিভাগ, প্রকৃতি-প্রত্যয়।
১) কোনটি দেশি শব্দ?
- জল
- ঘাঁটি
- মৃত্তিকা
- পুত্র
• ঘাঁটি দেশি ভাষার শব্দ। 
• দেশি শব্দ:
বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়।
যথা: পেট, ডাব, টোপর, ঘাঁটি ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
------------------
• কিছু সংস্কৃত শব্দ:
সূর্য, চন্দ্র, জল, গৃহ, মৃত্তিকা, রাম, রাবণ, পুত্র, পিতা, জননী, দেব, দেবী, দর্শন, বয়ন, গমন, রাত্রি, দিবা, সৌর্য, কৃতিত্ব, আদিত্য, বৃক্ষ, পশু, নর, নারী, বেদ, বেদান্ত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২) উপসর্গ ও প্রত্যয় ছাড়া শব্দ গঠনের অপর প্রধান প্রক্রিয়া কোনটি?
- বিভক্তি
- বচন
- সমাস
- বলক
উপসর্গ ও প্রত্যয় দিয়ে তৈরি শব্দকে সাধিত শব্দ বলা হয়। উপসর্গ ও প্রত্যয় ছাড়া শব্দ গঠনের আরো কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান প্রক্রিয়া হলো সমাস, যার মাধ্যমে একাধিক শব্দ এক শব্দে পরিণত হয়।
যেমন:
'হাট' ও 'বাজার' শব্দ দুটি সমাসবদ্ধ হয়ে হয় 'হাটবাজার'।
- এছাড়া কোনো শব্দের দ্বৈত ব্যবহারে নতুন শব্দ গঠিত হলে তাকে বলে শব্দদ্বিত্ব, যেমন 'ঠক' ও 'ঠক' মিলে গঠিত হয় 'ঠকঠক', একইভাবে 'অঙ্ক' ও অনুরূপ ধ্বনি 'টঙ্ক' মিলে হয় 'অঙ্কটঙ্ক'।
শব্দ যখন বাক্যের মধ্যে থাকে, তখন তার নাম হয় পদ। পদে পরিণত হওয়ার সময়ে শব্দের সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়, এগুলোর নাম লগ্নক। লগ্নক চার ধরনের:
• বিভক্তি: ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বোঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলোকে বিভক্তি বলে। বিভক্তি দুই প্রকার: ক্রিয়া-বিভক্তি ও কারক-বিভক্তি। 'করলাম' ক্রিয়াপদের 'লাম' শব্দাংশ হলো ক্রিয়া-বিভক্তি এবং 'কৃষকের' পদের 'এর' শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।
• নির্দেশক: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদকে নির্দিষ্ট করে, সেগুলোকে নির্দেশক বলে। 'লোকটি' বা 'ভালোটুকু' পদের 'টি' বা 'টুকু' হলো নির্দেশকের উদাহরণ।
• বচন: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদের সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে বচন বলে। 'ছেলেরা' বা 'বইগুলো' পদের 'রা' বা 'গুলো' হলো বচনের উদাহরণ।
• বলক: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলক বলে। 'তখনই' বা 'এখনও' পদের 'ই' বা 'ও' হলো বলকের উদাহরণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
৩) সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ কোনটি?
- বাতুয়া
- ডেগচি
- ছোঁয়াচ
- ফেনিল
• বাংলা ভাষায় তিন প্রকার তদ্ধিত প্রত্যয় রয়েছে।
যথা:
• সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:
সংস্কৃত শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় সেসব প্রত্যয় কে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
কণ্টক + ইত = কণ্টকিত;
ফেন + ইল্ = ফেনিল;
সুখ + ইন্ = সুখিন;
নীল + ইমন = নীলিমা।
--------------
• বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়:
সংস্কৃত ও বিদেশি প্রত্যয় বাদে বাংলা ভাষার সকল তদ্ধিত প্রত্যয় বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়।
যেমন:
পাগল + আমি = পাগলামি;
থাল + আ = থালা;
ছোঁয়া + আচ = ছোঁয়াচ;
চোর + আই = চোরাই;
বাত + উয়া = বাতুয়া;
ঘর + ওয়া = ঘরোয়া।
• বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়:
শব্দের পরে যেসব বিদেশি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে সেসব প্রত্যয়কে বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
বিবি + আনা = বিবিয়ানা;
দুধ + ওয়ালা = দুধওয়ালা;
বাগি + চা = বাগিচা;
ডেগ + চি = ডেগচি;
গিন্নী + পনা = গিন্নীপনা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৪) অশুদ্ধ বানান কোনটি?
- ভূতুড়ে
- অদ্ভুত
- উদ্ভুত
- ভূতপূর্ব
• অশুদ্ধ বানান- উদ্ভুত।
- শুদ্ধ রূপ- উদ্ভূত।
• বানানের নিয়ম:
অদ্ভুত শব্দটি ছাড়া বাকি সব ক্ষেত্রে ভূত বানানে ঊ-কার হবে।
যেমন:
- ভূতুড়ে,
- উদ্ভূত,
- ভূতপূর্ব,
- পুঞ্জীভূত,
- ঘনীভূত ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫) 'প্রভাত' কোন ধরনের শব্দ?
- যোগরূঢ়
- মৌলিক
- রূঢ়ি
- যৌগিক
• 'প্রভাত' রূঢ়ি শব্দের উদাহরণ।
• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যে সব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ।
উদাহরণ-
- স্নাতক- মূল অর্থ: “যিনি স্নান করেছেন।” রূঢ়ি অর্থ (প্রচলিত অর্থ): “যিনি নির্দিষ্ট কোনো বিদ্যায় অধ্যয়ন সম্পন্ন করেছেন” অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রিপ্রাপ্ত ব্যক্তি।
- প্রভাত- প্রকৃষ্টভাবে আলোকিত (মূল অর্থ), সকালবেলা (পরিবর্তিত অর্থ)।
- সন্দেশ- সংবাদ (মূল অর্থ), মিষ্টান্ন (পরিবর্তিত অর্থ)।
- চিকন- চকচকে (মূল অর্থ), সরু (পরিবর্তিত অর্থ)।
- জ্যাঠামি- জেঠার ভাব (মূল অর্থ), চাপল্য (পরিবর্তিত অর্থ)।
এরূপ আরও শব্দ হলো- অতিথি, কুশল, গবাক্ষ, দুহিতা, পাঞ্জাবি, বাঁশি, রাখাল, স্নাতক ইত্যাদি।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬) সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে, বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করেছে কোন শব্দটি?
- গবেষণা
- কারচুপি
- ফলাহার
- তুরঙ্গম
যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন:
• পঙ্কজ: পঙ্কে জন্মে যা। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি উদ্ভিদপঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু 'পঙ্কজ' শব্দটি একমাত্র 'পদ্মফুল' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
• রাজপুত: 'রাজার পুত্র' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে অর্থ হয়েছে 'জাতিবিশেষ'।
• মহাযাত্রা: 'মহাসমারোহে যাত্রা' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ 'মৃত্যু'।
• জলধি: 'জল ধারণ করে এমন' অর্থ পরিত্যাগ করে একমাত্র 'সমুদ্র' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
• তুরঙ্গম: 'যা তাড়াতাড়ি যায়' অর্থ পরিত্যাগ করে একমাত্র 'ঘোড়া' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে,
গবেষণা, কারচুপি ও ফলাহার রূঢ়ি শব্দ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
৭) শুদ্ধ প্রকৃতি প্রত্যয়ের গঠন কোনটি?
- √পঠি্ + ক্ত = পঠিত
- √মুক্ + ক্ত = মুক্ত
- √বচ্ + ক্ত = উক্ত
- √দিগ্ + ক্ত = দগ্ধ
শুদ্ধ প্রকৃতি প্রত্যয়ের গঠন- √বচ্ + ক্ত = উক্ত।
• ক্ত- কৃৎ প্রত্যয়:
ক্ত- কৃৎ প্রত্যয়ে 'ক্' ইৎ 'ত' থাকে। যেমন- জ্ঞা + ক্ত (জ্ঞা+ত) = জ্ঞাত, খ্যা + ক্ত = খ্যাত।
বিশেষ নিয়ম:
(ক) ক্ত-প্রত্যয় যুক্ত হলে নিম্নলিখিত ধাতুর অন্ত্যস্বর 'ই' কার হয়। যেমন- √পঠ্ + ক্ত (পঠ্ + ই + ত) = পঠিত। এরূপ- লিখিত, বিদিত, বেষ্টিত, চলিত, পতিত, লুণ্ঠিত, ক্ষুধিত, শিক্ষিত ইত্যাদি।
(খ) ক্ত প্রত্যয় যুক্ত হলে, ধাতুর অন্তস্থিত 'চ' ও 'জ' স্থলে 'ক' হয়। যেমন- √মুচ্ + ক্ত = মুক্ত, √ভুজ্ + ক্ত = ভুক্ত।
(গ) এ ছাড়া ক্ত প্রত্যয় পরে থাকলে ধাতুর মধ্যে বিভিন্ন রকমের পরিবর্তন হয়। এখানে এরূপ কয়েকটি প্রকৃতি-প্রত্যয়ের উদাহরণ দেওয়া হলো। যেমন- √গম্ + ক্ত = গত, √গ্রন্থ + ক্ত = গ্রথিত, √চুর্ + ক্ত = চূর্ণ, √জন্ + ক্ত = জাত, √দা + ক্ত = দত্ত, √দিহ্ + ক্ত = দগ্ধ, √বচ্ + ক্ত = উক্ত, √লভ্ + ক্ত = লব্ধ, √স্বপ্ + ক্ত = সুপ্ত, √সৃজ্ + ক্ত = সৃষ্ট, √হন্ + ক্ত = হত ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৮) 'দর্শনীয়' শব্দের শুদ্ধ প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
- √দর্শ্ + অনীয়
- √দৃশ্ + অনীয়
- √দৃশ্ + নীয়
- √দর্শ্ + নীয়
• কৃৎ প্রত্যয়-অনীয় (অনীয়র): যোগ্য বা কর্তব্য অর্থে বিশেষণ শব্দ গঠন করে।
যেমন:
- √কৃ+ অনীয় = করণীয়,
- √দৃশ্ + অনীয় = দর্শনীয়,
- √শুচ + অনীয় = শোচনীয়,
- √স্মৃ + অনীয় = স্মরণীয়,
- √বৃ + অনীয় = বরণীয়।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৯) কোনটি শব্দের শেষে যুক্ত হয় না?
- উপসর্গ
- বিভক্তি
- প্রত্যয়
- বলক
• শব্দের শেষে যুক্ত হয় না- উপসর্গ।
• উপসর্গ:
যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। ‘পরিচালক’ শব্দের ‘পরি’ অংশ একটি উপসর্গ।
অন্যদিকে,
---------------------
• প্রত্যয়:
যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে। 'সাংবাদিক' শব্দের ‘ইক' অংশ একটি প্রত্যয়।
• বিভক্তি:
ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বোঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলোকে বিভক্তি বলে। বিভক্তি দুই প্রকার: ক্রিয়া-বিভক্তি ও কারক-বিভক্তি। 'করলাম' ক্রিয়াপদের 'লাম' শব্দাংশ হলো ক্রিয়া-বিভক্তি এবং 'কৃষকের' পদের 'এর' শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।
• বলক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলক বলে। 'তখনই' বা 'এখনও' পদের 'ই' বা 'ও' হলো বলকের উদাহরণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
১০) বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
- দীর্ঘতর
- জলময়
- জ্ঞানবান
- ফুলদানি
• বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় গঠিত কিছু শব্দ:
শব্দের পরে যেসব বিদেশি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে সেসব প্রত্যয়কে বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
- বিবি + আনা = বিবিয়ানা;
- দুধ + ওয়ালা = দুধওয়ালা;
- মানান + সই = মানানসই;
- খবর + দার = খবরদার;
- ছাপা + খানা = ছাপাখানা;
- কোচ + ওয়ান = কোচোয়ান;
- কারি + গর = কারিগর;
- ফুল + দানি = ফুলদানি;
- গিন্নী + পনা = গিন্নীপনা।
অন্যদিকে,
------------------
সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন-
দীর্ঘ + তর = দীর্ঘতর,
জল + ময় = জলময়,
জ্ঞান + বান = জ্ঞানবান।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১১) বানানের নিয়ম অনুসারে কোনটি শুদ্ধ?
- ঢঙ
- সঙ
- চাঙ
- গাঙ
• শুদ্ধ বানান: চাঙ।
- এটি একটি দেশি শব্দ। 
-----------------
• বানানের নিয়ম:
শব্দের শেষে প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে সাধারণভাবে অনুস্বার ( ং) ব্যবহৃত হবে।
যেমন:
গাং, ঢং, পালং, রং, রাং, সং।
- তবে অনুস্বারের সঙ্গে স্বর যুক্ত হলে ঙ হবে।
যেমন :
বাঙালি, ভাঙা, রঙিন, রঙের।
- ব্যতিক্রম: বাংলা ও বাংলাদেশ শব্দে অনুস্বার থাকবে।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১২) 'জানালা' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
- বাংলা
- পর্তুগিজ
- তুর্কি
- ফারসি
• 'জানালা' পর্তুগিজ ভাষার শব্দ।
- শব্দটি বিশেষ্য পদ। 
• পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো:
আনারস, গির্জা, পেয়ারা, পেঁপে, চাবি, বালতি, গুদাম, পাউরুটি, পাদরি, কামরা, বোতল, জানালা, বোতাম, তোয়ালে।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৩) শুদ্ধ বানান কোনটি?
- স্বত্বঃস্ফূর্ত
- স্বতঃস্ফুর্ত
- স্বতঃস্ফূর্ত
- স্বত্ত্বঃস্ফূর্ত
• শুদ্ধ বানান- স্বতঃস্ফূর্ত।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
অর্থ:
- আপনা থেকে প্রকাশিত;
- স্বতঃপ্রণোদিত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৪) শব্দ যখন বাক্যের মধ্যে থাকে, তখন তার নাম হয়-
- পদ
- লগ্নক
- বিভক্তি
- অক্ষর
শব্দ যখন বাক্যের মধ্যে থাকে, তখন তার নাম হয় পদ। পদে পরিণত হওয়ার সময়ে শব্দের সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়, এগুলোর নাম লগ্নক। লগ্নক চার ধরনের:
• বিভক্তি: ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বোঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলোকে বিভক্তি বলে। বিভক্তি দুই প্রকার: ক্রিয়া-বিভক্তি ও কারক-বিভক্তি। 'করলাম' ক্রিয়াপদের 'লাম' শব্দাংশ হলো ক্রিয়া-বিভক্তি এবং 'কৃষকের' পদের 'এর' শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।
• নির্দেশক: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদকে নির্দিষ্ট করে, সেগুলোকে নির্দেশক বলে। 'লোকটি' বা 'ভালোটুকু' পদের 'টি' বা 'টুকু' হলো নির্দেশকের উদাহরণ।
• বচন: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদের সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে বচন বলে। 'ছেলেরা' বা 'বইগুলো' পদের 'রা' বা 'গুলো' হলো বচনের উদাহরণ।
• বলক: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলক বলে। 'তখনই' বা 'এখনও' পদের 'ই' বা 'ও' হলো বলকের উদাহরণ।
অন্যদিকে,
-------------------
• অক্ষর: এর ইংরেজি নাম - syllable.অল্প প্রয়াসে যে ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ একবারে উচ্চারিত হয় তাকে অক্ষর বলে। তাই একে শব্দাংশ ও বলা হয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
১৫) প্রমিত বানানের নিয়ম অনুসারে কোনটি শুদ্ধ?
- কার্য্যালয়
- কার্যালয়
- কার্য্যলয়
- কোনোটিই নয়
• শুদ্ধ বানান- কার্যালয়।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- শব্দটি বিশেষ্য পদ।
অর্থ:
- কর্মস্থল, কর্মক্ষেত্র।
-------------------
• বানানের নিয়ম:
রেফ এর পর তৎসম, অতৎসম শব্দে ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না।
যেমন:
- কার্য্যালয় হবে না, সঠিক বানান হবে কার্যালয়।
- নির্দ্দিষ্ট হবে না, সঠিক বানান নির্দিষ্ট।
- ধর্ম্মসভা বানানটি ভুল, সঠিক বানান হবে ধর্মসভা।
- তেমনি ভাবে পর্ব্বত হবে না , সঠিক বানান হবে পর্বত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
১৬) কোনটি যৌগিক শব্দ?
- হরিণ
- ঝি
- মধুর
- পাঞ্জাবি
• যৌগিক শব্দ:
যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন:
- গায়ক = গৈ + ণক (অক) অর্থ: গান করে যে।
- কর্তব্য = কৃ + তব্য - অর্থ: যা করা উচিত।
- বাবুয়ানা = বাবু + আনা - অর্থ: বাবুর ভাব।
- মধুর = মধু + র - অর্থ: মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
- দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ্য - অর্থ: কন্যার পুত্র, নাতি।
অন্যদিকে,
রূঢ়ি শব্দ - হরিণ, ঝি, পাঞ্জাবি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
১৭) ‘খাসদখল’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
- ফারসি + আরবি
- ফারসি
- আরবি + সংস্কৃত
- আরবি
• ‘খাসদখল’ শব্দটি 'আরবি' ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।

কিছু আরবি ভাষার শব্দ:
- কয়েদ,
- কসাই,
- কসরত,
- খাস,
- খারাবি,
- খারাপ,
- খারিজ,
- খালাস,
- খাসমহল,
- খাসলত,
- তুফান,
- তকদির ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৮) 'মাঠুয়া' কোন ধরনের প্রত্যয় সাধিত শব্দ?
- সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
- বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
- সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়
- বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
• উয়া/ওয়া>ও- বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়: সম্পর্ক ও বৈশিষ্ট্য নির্দেশক বিশেষণ শব্দ গঠন করে।
যেমন:
- ঘর + ওয়া = ঘরোয়া,
- জল + উয়া = জলুয়া > জলো (দুধ),
- মাঠ + উয়া = মাঠুয়া > মেঠো,
- কাজ + উয়া = কাজুয়া > কেজো ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৯) শুদ্ধ বানান কোনটি?
- নিদেশ্য
- নিধার্য
- নির্দ্বন্দ্ব
- নির্জিব
• শুদ্ধ বানান- নির্দ্বন্দ্ব।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
অর্থ:
- দ্বন্দ্বহীন, নির্বিবাদ।
অন্যদিকে,
অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো- নির্ধার্য, নির্দেশ্য, নির্জীব।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২০) যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বক্তব্য জোরালো করে তাকে কী বলে?
- বিভক্তি
- বলক
- প্রত্যয়
- নির্দেশক
• বলক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলক বলে। 'তখনই' বা 'এখনও' পদের 'ই' বা 'ও' হলো বলকের উদাহরণ।
অন্যদিকে,
----------------------
• বিভক্তি:
ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বোঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলোকে বিভক্তি বলে। বিভক্তি দুই প্রকার: ক্রিয়া-বিভক্তি ও কারক-বিভক্তি। 'করলাম' ক্রিয়াপদের 'লাম' শব্দাংশ হলো ক্রিয়া-বিভক্তি এবং 'কৃষকের' পদের 'এর' শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।
• নির্দেশক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদকে নির্দিষ্ট করে, সেগুলোকে নির্দেশক বলে। 'লোকটি' বা 'ভালোটুকু' পদের 'টি' বা 'টুকু' হলো নির্দেশকের উদাহরণ।
• প্রত্যয়:
যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে। 'সাংবাদিক' শব্দের ‘ইক' অংশ একটি প্রত্যয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
২১) 'শ্রমী' শব্দের শুদ্ধ প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
- √শ্রম্ + ইন্
- √শ্রম্ + ই
- √শ্রম্ + ঈন্
- কোনোটিই নয়
এরূপ কিছু সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় হলো-
• ক্ত-প্রত্যয় ('ক্' ইৎ 'ত' থাকে): √জ্ঞা + ক্ত (জ্ঞা+ত) = জ্ঞাত, খ্যা + ক্ত = খ্যাত।
• তব্য: √কৃ + তব্য = কর্তব্য, দা + তব্য = দাতব্য, পঠ + তব্য = পঠিতব্য।
• ইন্ প্রত্যয় (ইন)-ঈ-কার হয়): √শ্রম্ + ইন্ = শ্রমী।
• অল্-প্রত্যয় (ল ইৎ, অ থাকে): জি + অল্ = জয়, ক্ষি + অল্ = ক্ষয়। এরূপ-ভয়, নিচয়, বিনয়, ভেদ,বিলয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
২২) মৌলিক শব্দ নয় কোনটি?
- গোলাপ
- ভাত
- পাখি
- নয়ন
• মৌলিক শব্দ নয়- নয়ন।
- নয়ন একটি যৌগিক শব্দ।
--------------------------
গঠন অনুসারে শব্দ দুই প্রকার। যথা:
• মৌলিক শব্দ:
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করলে অর্থপূর্ণ কোনো অংশ থাকে না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন:
- গাছ, পাখি, ফুল, হাত, ভাত, গোলাপ ইত্যাদি।
• সাধিত শব্দ:
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন:
- পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ, সদস্য, নীলাকাশ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২৩) 'চাকরি' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
- হিন্দি
- আরবি
- ফারসি
- পর্তুগিজ
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'চাকরি' ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
• 'ফারসি' ভাষা থেকে আগত কিছু শব্দ হলো:
গুনাহ, দরগা, চশমা, খানা, জায়নামাজ, নামায, রোজা, আইন, সালিশ, নালিশ, বাদশাহ, সুপারিশ, শিরোনাম, হাঙ্গামা, ফরমান, ফরিয়াদ, বান্দা, আমদানি, সবজি, রসিদ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৪) 'সে আবারও ভুল করল।'- বাক্যে আবার শব্দের সাথে যুক্ত 'ও' এর ব্যাকরণিক পরিচয় কোনটি?
- অনুসর্গ
- বলক
- বিভক্তি
- বচন
• 'সে আবারও ভুল করল।'- বাক্যে আবার শব্দের সাথে যুক্ত 'ও' একটি বলক।
• বলক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলক বলে। 'তখনই' বা 'এখনও' পদের 'ই' বা 'ও' হলো বলকের উদাহরণ।
অন্যদিকে,
-----------------------
• অনুসর্গ:
বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদরূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে।
[অনুসর্গগুলো কখনো প্রতিপাদিকের পরে ব্যবহৃত হয়, আবার কখনো বা 'কে' এবং 'র' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে বসে।]
বাংলা ভাষায় বহু অনুসর্গ আছে: প্রতি, বিনা, বিহনে, সহ, ওপর, অবধি, হেতু, মধ্যে, মাঝে, পরে, ভিন্ন, বই, ব্যতীত, জন্যে, পর্যন্ত, মতো, নামে, পানে, অধিক, পক্ষে, দ্বারা, দিয়া, ভিতর, পাছে, চেয়ে ইত্যাদি।
• বিভক্তি:
ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বোঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলোকে বিভক্তি বলে। বিভক্তি দুই প্রকার: ক্রিয়া-বিভক্তি ও কারক-বিভক্তি। 'করলাম' ক্রিয়াপদের 'লাম' শব্দাংশ হলো ক্রিয়া-বিভক্তি এবং 'কৃষকের' পদের 'এর' শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।
• বচন:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদের সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে বচন বলে। 'ছেলেরা' বা 'বইগুলো' পদের 'রা' বা 'গুলো' হলো বচনের উদাহরণ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
২৫) শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া নয় কোনটি
- সমাস
- শব্দদ্বিত্ব
- প্রত্যয়
- উক্তি
• শব্দ গঠন প্রক্রিয়া নয়- উক্তি।
• শব্দ গঠন প্রক্রিয়া:
শব্দের অর্থ-বৈচিত্র্যের জন্য নানাভাবে তার রূপ-রূপান্তর সাধন করা হয়। এভাবে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার-উপযোগী করে তোলার জন্যে শব্দ তৈরির প্রক্রিয়াই হলো শব্দগঠন। অর্থাৎ ছোট ও সহজ শব্দ বা পদের সাহায্যে বড় ও জটিলতর শব্দ তৈরির প্রক্রিয়াকে বলে শব্দগঠন।
বাংলা ভাষায় সবচেয়ে বেশি শব্দ গঠিত হয় উপসর্গ ও প্রত্যয়ের মাধ্যমে। উপসর্গ ও প্রত্যয় ছাড়া শব্দ গঠনের আরো কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান প্রক্রিয়া হলো সমাস, যার মাধ্যমে একাধিক শব্দ এক শব্দে পরিণত হয়। যেমন ‘হাট’ ও ‘বাজার' শব্দ দুটি সমাসবদ্ধ হয়ে হয় ‘হাটবাজার’। এছাড়া কোনো শব্দের দ্বৈত ব্যবহারে নতুন শব্দ গঠিত হলে তাকে বলে শব্দদ্বিত্ব। যেমন ‘ঠক' ও 'ঠক’ মিলে গঠিত হয় ‘ঠকঠক’, একইভাবে ‘অঙ্ক’ ও অনুরূপ ধ্বনি ‘টঙ্ক' মিলে হয় ‘অঙ্কটঙ্ক’।
শব্দ গঠনের এই বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো:
১. ‘কলালাপ” শব্দটি নির্মিত হয়েছে সন্ধিঘটিত নিয়মে।
২. ‘বিকল' শব্দটি গঠিত হয়েছে উপসর্গযোগে।
৩. ‘কলুষ' শব্দটি তৈরি হয়েছে প্রত্যয়ঘটিত নিয়মে।
৪. 'কলুষ' থেকে 'কলুষিত' হয়েছে পদ পরিবর্তনের মাধ্যমে।
৫. 'কলকারখানা' শব্দটি তৈরি হয়েছে সমাসঘটিত নিয়মে।
৬. 'কলকল' শব্দটি গঠিত হয়েছে শব্দদ্বিত্ব-এর সাহায্যে।
৭. 'কলির সন্ধ্যা' পদগুচ্ছ গঠিত হয়েছে বাগ্বিধি বা প্রবাদ-প্রবচন রূপে।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ এবং উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।








