Exam - 18 General Knowledge Topic: History of Bangladesh [From Ancient Period to Liberation War]; Contemporary History. i) প্রাচীন বাংলার জনপদ ii) বাংলাদেশের ইতিহাস: প্রাচীন যুগ মুক্তিযুদ্ধ, iii) মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশ ও সামসময়িক ইতিহাস।
১) Who was the builder of the Paharpur Buddhist Monastery or Somapura Mahavihara?
- Gopala
- Dharmapala
- Devapala
- Mahipala
সোমপুর মহাবিহার
- সোমপুর মহাবিহার প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।
- পাহাড়পুরএর উৎখননকৃত বিহার কমপ্লেক্সের সঙ্গে সোমপুর মহাবিহারকে অভিন্ন মনে করা হয়।
- পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল (আনু. ৭৮১-৮২১ খ্রি) এ বিহার স্থাপন করেন।
- ধ্বংসাবশেষ হতে কিছু মাটির সিল পাওয়া গেছে, যেখানে উৎকীর্ণ রয়েছে ‘শ্রী-সোমপুরে-শ্রী-ধর্মপালদেব-মহাবিহারিয়ার্য-ভিক্ষু-সংঘস্য’।
- লামা তারনাথ এবং অন্যান্য তিববতীয় উৎস থেকে জানা যায় যে, বরেন্দ্র জয়ের পর দেবপাল এটি নির্মাণ করেন।
- সম্ভবত ধর্মপালের অসমাপ্ত কাজগুলিই তাঁর যোগ্য উত্তরসূরি দেবপালের সময়ে শেষ হয়।
- পাল শাসকগণ ছিলেন বৌদ্ধধর্মের একনিষ্ঠ অনুসারী।
- ক্রমবর্ধমান সাম্রাজ্যের প্রায় সর্বত্রই তারা বেশ কিছু সংখ্যক বিহার স্থাপন করেন।
- এগুলির মধ্যে কয়েকটি ছিল বিখ্যাত শিক্ষা কেন্দ্র।
- এশিয়ার প্রায় সর্বত্রই অতি দ্রুত এগুলির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল। শাসক বংশের সঙ্গে সোমপুর মহাবিহারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ইঙ্গিত করে যে, দাতাগোষ্ঠীর রাজনৈতিক উত্থান-পতনের সঙ্গে এরও উত্থান-পতন জড়িত ছিল।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২) What was language martyr Shaheed Abdus Salam’s profession?
- Student
- Farmer
- Rickshaw puller
- Government employee
» শহিদ আবদুস সালাম:
- আবদুস সালামের জন্ম ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর তৎকালীন নোয়াখালী জেলার ফেনী মহকুমার দাগনভুইয়ার মাতুভূঁইয়া ইউনিয়নের লক্ষণপুর গ্রামে (বর্তমানে ফেনী জেলার দাগনভুইয়া উপজেলার সালামনগর গ্রাম)।
- কৃষ্ণরামপুর স্কুলে প্রাথমিক এবং কলিমুল্লাহ মাইনর স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর আতাতুর্ক স্কুলে ভর্তি হলেন।
- দশম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় আর্থিক অনটনে লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যায় তার। তারপর কাজের সন্ধানে তিনি চলে যান কলকাতায় বড় বোনের স্বামী আব্দুল কাদেরের কাছে।
- মেটিয়াবুরুজে তার বড় বোনের স্বামী থাকতেন তখন, তিনিই কলকাতা বন্দরে কাজের ব্যবস্থা করে দিলেন তাকে।
- দেশভাগ হয়ে গেলে বোনের স্বামী ও তিনি ফিরে এলেন ঢাকায়। পিয়ন হিসেবে কাজ পেলেন তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের ডিরেক্টর অব ইন্ডাস্ট্রিজ বিভাগে। নীলক্ষেত ব্যারাকের ৩৬/ বি নং কোয়ার্টারে তিনি থাকতেন।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্র ভাষা করার দাবিতে ছাত্র-জনতা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেলের সামনের রাস্তায় সমবেত হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। সেই বিক্ষোভে আবদুস সালামও যোগ দেন। ওইদিন আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ বর্বরোচিতভাবে গুলিবর্ষণ করলে বরকত, জববার, রফিক, শফিউরসহ অনেকের সঙ্গে সালামও গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। তাঁকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রায় দেড় মাস পর ৭ এপ্রিল হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁকে আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
- ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভাষাশহীদ আবদুস সালামকে সরকারিভাবে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং The Daily Star.
৩) Through which Muslim conqueror did the rule of the Sena dynasty come to an end?
- Bakhtiyar Khalji
- Ghiyasuddin Tughlaq
- Shamsuddin Ilyas Shah
- Qutbuddin Aibak
• বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনা:
- তেরো শতকের শুরুতে তুর্কিসেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজি বাংলার উত্তর ও উত্তরপশ্চিমাংশে সেন শাসনের অবসান ঘটিয়ে মুসলমান শাসনের সূচনা করেন।
- বখতিয়ার খলজি ১১৯৫ খ্রিষ্টাব্দে জীবিকার অন্বেষণে গজনিতে আসেন।
- সেখানকার শাসনকর্তা মালিক হিজবরউদ্দিন তাকে মাসিক বেতনে সৈন্য বিভাগেনিযুক্ত করেন।
- বখতিয়ার অল্পসংখ্যক সৈন্য সংগ্রহ করে পার্শ্ববর্তী ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্য আক্রমণ করতে শুরু করেন।
- এ সময়ে তার কথা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক ভাগ্যান্বেষী মুসলমান তার সৈন্যদলে যোগদান করে।
- ফলে বখতিয়ারের সৈন্যসংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
- এভাবে পার্শ্ববর্তী এলাকায় আক্রমণ চালিয়ে তিনি দক্ষিণ বিহারে এক প্রাচীরঘেরা দুর্গের মতো স্থানে আসেন এবং আক্রমণ করেন।
- বিহার দখলের পর বখতিয়ার অনেক ধনরত্নসহ দিল্লির সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
- নদীয়ায় আক্রমন করে লক্ষণ সেন কে পরাজিত করে বাংলায় মুসলিম শাসন সূচনা করেন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম, শ্রেণি।
৪) Who took oath as the first Chief Minister after the 1954 election?
- Huseyn Shaheed Suhrawardy
- Sher-e-Bangla A.K. Fazlul Huq
- Abu Hossain Sarkar
- Ataur Rahman Khan
১৯৫৪ সালের নির্বাচন:
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অধীনে সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে চারটি দলের সমন্বয়ে গঠিত যুক্তফ্রন্ট।
- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- ২৫ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর চৌধুরী খালেকুজ্জামান কৃষক শ্রমিক পার্টির নেতা ফজলুল হককে মন্ত্রিসভা গঠনের আহবান জানান। তিনি ৩ এপ্রিল সরকার গঠন করেন।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫) Who is believed to have built the Sena period architecture, the “Dhakeshwari Temple”?
- Vijaya Sena
- Ballala Sena
- Lakshmana Sena
- Samanta Sena
ঢাকেশ্বরী মন্দির
- ঢাকেশ্বরী মন্দির ঢাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্দির।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সলিমুল্লাহ হল থেকে আনুমানিক ১.৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে ঢাকেশ্বরী রোডের উত্তর পার্শ্বে একটি অনুচ্চ আবেষ্টনী প্রাচীরের মধ্যে মন্দিরটি অবস্থিত। মন্দির অঙ্গনে প্রবেশের জন্য রয়েছে একটি সিংহদ্বার। সিংহদ্বারটি নহবতখানা তোরণ নামে অভিহিত।
- জনশ্রুতি অনুযায়ী মন্দিরটির নির্মাতা বল্লাল সেন নামে একজন রাজা।
এছাড়ও
বল্লাল সেন:
- বিজয় সেনের পর সিংহাসনে আরোহণ করেন তার পুত্র বল্লাল সেন (১১৬০-১১৭৮ খ্রিষ্টাব্দ)।
- রাজ্য রক্ষার পাশাপাশি তিনি মগধ ও মিথিলাও অধিকার করে সেন শাসন শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করেন।
- চালুক্য রাজকন্যা রমা দেবীকে তিনি বিয়ে করেন। অন্যান্য উপাধির সাথে বল্লাল সেন নিজের নামের সাথে 'অরিরাজ নিঃশঙ্ক শঙ্কর' উপাধি গ্রহণ করেছিলেন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
৬) What type of government system was introduced in the 1956 Constitution?
- Presidential system
- Parliamentary system
- Monarchy
- Military rule
• ১৯৫৬ এর শাসনতন্ত্র আন্দোলন:
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- এটিকে বিলম্বিত শাসনতন্ত্র বলা চলে।
- সুদীর্ঘ ৯ বছর সাধনার পর শাসনতন্ত্র প্রণেতাগণ এ শাসনতন্ত্রটি দিতে পেরেছিলেন।
উল্লেখ্য,
- ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানে দ্বিতীয় গণ পরিষদ গঠিত হয়।
- এর অগ্রভাগে ছিল তৎকালীন গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ।
- ১৯৫৫ সালের ৭ই জুলাই এ পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ পরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিল ৮০ জন।
- ১৯৫৬ সালের ৯ই জানুয়ারি গণপরিষদে শাসনতন্ত্র বিল উত্থাপিত হয়।
- এ বিলের উপর আলোচনা-সমালোচনা চলে।
- আলোচনার পর ১৯৫৬ সালের ২৯শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ পাকিস্তানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে।
- অবশেষে ১৯৫৬ সালের ২রা মার্চ গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চে দ্বিতীয় গণপরিষদ কর্তৃক এ শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- পাকিস্তানের ইতিহাসে এ শাসনতন্ত্রটি ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র নামে পরিচিত।
⇒ এ শাসনতন্ত্রের অধীনে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ও সংসদীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- কিন্তু এ শাসনতন্ত্র যথার্থভাবে কাজ করতে পারেনি।
- এ শাসনতন্ত্র দিনে দিনে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- শাসনতন্ত্রের এ ব্যর্থতার জন্যে (পশ্চিম পাকিস্তানের) শাসকবর্গই দায়ী ছিলেন।
- যার পরিপ্রেক্ষিতে শাসনতন্ত্র রচনার আড়াই বছরের মধ্যেই এটি বাতিল ঘোষণা করা হয় এবং সামরিক শাসন জারী করা হয়।
উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭) In ancient Bengal, which practice led to the increase of polygamy in Hindu society?
- Sati system
- Widow system
- Kulinism system
- Caste system
- প্রাচীন বাংলায় হিন্দু সমাজে কৌলীন্য প্রথার ফলে বহুবিবাহের প্রচলন বৃদ্ধি পায়।
» কৌলীন্য প্রথা:
- কৌলীন্য প্রথা ছিল প্রাচীন হিন্দু সমাজের একটি সামাজিক ব্যবস্থা, যেখানে সম্ভ্রান্ত বংশ বা কুলের মর্যাদা ও বিশুদ্ধতা বজায় রাখার উপর গুরুত্ব দেওয়া হতো। কুলীন পরিবার বলতে এমন পরিবারকে বোঝাতো যারা আচার-আচরণ, বিদ্যা, শৃঙ্খলা, ধর্মীয় নীতি, তীর্থযাত্রা, তপস্যা ও দানশীলতার মতো গুণে সমৃদ্ধ ছিল।
- এই প্রথার উল্লেখ রামায়ণ যুগ থেকেই পাওয়া যায়। সাধারণত ব্রাহ্মণ পরিবারই কুলীন হিসেবে গণ্য হতো, তবে কায়স্থ ও বৈদ্যরাও তাদের শিক্ষা, সম্পদ ও উত্তম আচরণের মাধ্যমে কুলীন মর্যাদা অর্জন করতে পারত। সমাজে উচ্চ মর্যাদা বজায় রাখতে সমজাতীয় কুলীন পরিবারের সঙ্গে বিবাহ সম্পর্ক স্থাপন করা হতো, যার ফলে বহুবিবাহের প্রচলনও বৃদ্ধি পেত।
- বল্লালসেনকেও কৌলিন্য প্রথার স্রষ্টা হিসেবে কৃতিত্ব দেওয়া হয়।
অন্যদিকে,
» সতীদাহ প্রথা:
- এটি এমন একটি প্রথা ছিল যেখানে স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীকে স্বামীর চিতায় আত্মাহুতি দিতে বাধ্য করা হতো বা সামাজিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা হতো।
» বিধবা প্রথা:
- স্বামীর মৃত্যুর পর নারীদের বিধবা জীবনযাপন করতে হতো। অনেক ক্ষেত্রে তাদের সামাজিক জীবন কঠোরভাবে সীমাবদ্ধ ছিল।
» বর্ণ প্রথা:
- এটি ছিল সমাজকে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র—এই চার ভাগে ভাগ করার ব্যবস্থা।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
৮) In which year did the student community start the anti-Ayub movement?
- 1962
- 1964
- 1966
- 1969
• ১৯৬২ সালে ছাত্র সমাজ আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু করে।
১৯৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে শরিফ কমিশনের শিক্ষাসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পেলে ছাত্র আন্দোলন নতুন রূপ লাভ করে।
- এ প্রতিবেদনের সুপারিশে ছাত্রদের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। ফলে কঠোর আন্দোলন শুরু হয়।
- এ আন্দোলন 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' নামে পরিচিত। ১৫ই আগস্ট থেকে ১০ই সেপ্টেম্বর প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭ই সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন নিহত এবং কয়েক'শ আহত হয়। এ আন্দোলনের ফলে শরিফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত হয়। এই আন্দোলনের ফলে ছাত্ররা আইয়ুববিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শক্তিতে পরিণত হয়।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
৯) Which Mughal emperor first conquered Bengal?
- Jahangir
- Babur
- Shah Jahan
- Akbar
বাংলায় মোগল শাসন:
- সম্রাট আকবরের সময় মোগলরা বাংলায় তাদের আধিপত্য বিস্তার করে।
- তাঁর রাজত্বকালে মোগলরা বাংলার উত্তর পশ্চিম অঞ্চলে তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
- কিন্তু সমগ্র বাংলায় মোগল আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম হন পরবর্তী সম্রাট জাহাঙ্গীর।
- বাংলায় মোগল আধিপত্যের বিরুদ্ধে দক্ষিণ ও পূর্ব বাংলার স্থানীয় স্বাধীন জমিদারগণ রুখে দাঁড়িয়েছিল। ইতিহাসে তাঁরা বার ভূঁইয়া নামে পরিচিত।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময় সুবাদার ইসলাম খান চিশতীর সামরিক দক্ষতা ও প্রচেষ্টায় মোগল বাহিনী এই স্বাধীনচেতা বার ভূঁইয়াদের দমন করতে সক্ষম হন।
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০) Who imposed the first martial law in Pakistan?
- Ayub Khan
- Iskander Mirza
- Yahya Khan
- Liaquat Ali Khan
১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন
- ১৯৫৮ সালের ৭ই অক্টোবর প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন।
- তিনি দেশের সংবিধান বাতিল করেন, কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইন পরিষদ ভেঙে দেন এবং মন্ত্রিসভা বাতিল করেন।
- রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
- প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিয়োগ করা হয় সেনাপ্রধান জেনারেল আইয়ুব খানকে।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- এর কিছুদিনের মধ্যে ২৭শে অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে অপসারণ করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
১১) The reign of which Sultan of Bengal is called the Golden Age?
- Shamsuddin Ilyas Shah
- Nusrat Shah
- Ghiyasuddin Azam Shah
- Alauddin Hussain Shah
[৪১তম বিসিএস]
সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ:
• সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
• তিনি সৈয়দ হোসেন হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে সিংহাসনে বসেন এবং সুলতান হয়ে 'আলাউদ্দিন হুসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
• তিনি আরব দেশীয় সৈয়দ বংশের লোক ছিলেন।
• তাঁর শাসনামল ছিল ১৪৯৮ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত।
• তিনি বাংলার আকবর হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
• তাঁর আমলে শ্রী চৈতেন্যদেব “বৈষ্ণব ধর্ম” প্রচার করেন।
• তাঁর সমাধি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী তাঁরই প্রতিষ্ঠিত ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
• তাঁর শাসনকালে বাংলায় জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্পকলার বিশেষ উন্নতি সাধিত হয়েছিল। এজন্য তাঁর শাসনকালকে অনেকেই বাংলার মধ্যযুগের ইতিহাসে 'স্বর্ণযুগ' বলে আখ্যায়িত করেন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
১২) Who was the commander of the Z Force Brigade in the Liberation War of Bangladesh?
- Zahidur Rahman
- Ziaul Haq
- Jihad Mosharraf
- Ziaur Rahman
• মুক্তিবাহিনী:
- ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
উল্লেখ্য,
- যে জনযুদ্ধ এনেছে বাংলাদেশের পতাকা, সেই জনযুদ্ধের দাবিদার এদেশের সাত কোটি বাঙালি।
- এই সশস্ত্র যুদ্ধ একটি নির্বাচিত সরকারের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।
- পরিকল্পিত এই যুদ্ধ পরিচালনার জন্য ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ বাংলাদেশ সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ৪টি যুদ্ধঅঞ্চলে বিভক্ত করেন।
- এই ৪টি অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিনায়ক ছিলেন:
ক) চট্টগ্রাম অঞ্চল: মেজর জিয়াউর রহমান,
খ) কুমিল্লা অঞ্চল: মেজর খালেদ মোশাররফ,
গ) সিলেট অঞ্চল: মেজর কে এম সফিউল্লাহ,
ঘ) দক্ষিণ পশ্চিম: অঞ্চল মেজর আবু ওসমান চৌধুরী।
⇒ পরবর্তীতে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলকে বিভক্ত করে রাজশাহী অঞ্চলে মেজর নাজমুল হক,
- দিনাজপুর অঞ্চলে মেজর নওয়াজেস উদ্দিন এবং,
- খুলনা অঞ্চলে মেজর জলিলকে দায়িত্ব দেয়া হয়।
- ৭ই জুলাই ১৯৭১ যুদ্ধের কৌশলগত কারণে সরকার নিয়মিত পদাতিক ব্রিগেড গঠনের পরিকল্পনায় 'জেড ফোর্স' ব্রিগেড গঠন করেন।
- এই জেড ফোর্সের অধিনায়ক হলেন মেজর জিয়াউর রহমান।
- একই ভাবে সেপ্টেম্বর মাসে 'এস ফোর্স' এবং ১৪ই অক্টোবর 'কে ফোর্স' গঠন করা হয়।
- কে ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন লেঃ কর্নেল খালেদ মোশাররফ।
- এস ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন লেঃ কর্নেল কে. এম. সফিউল্লাহ।
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বিবিসি বাংলা।
১৩) In which year was Murshid Quli Khan appointed as the Subahdar (Governor) of Bengal?
- 1700 AD
- 1717 AD
- 1722 AD
- 1727 AD
মুর্শিদ কুলি খান:
- মুর্শিদ কুলি খান ১৭০০ সালে বাংলায় আসেন এবং প্রথমে দেওয়ান হিসেবে রাজস্ব ও অর্থনৈতিক প্রশাসনের দায়িত্ব পালন করেন। ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট ফররুখ শিয়ারের সময় তিনি বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হন। মুঘল সাম্রাজ্যের দুর্বলতার কারণে তিনি কার্যত স্বাধীনভাবে বাংলা শাসন করলেও নামমাত্রভাবে সম্রাটের প্রতি আনুগত্য বজায় রাখতেন।
- তিনি রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন, যা পরে বাংলার প্রশাসনিক কেন্দ্র হয়ে ওঠে। তাঁর শাসনামল থেকেই বাংলায় নিজামত বা নবাবি শাসনের সূচনা হয়।
- রাজস্ব সংস্কার ছিল তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তিনি ভূমি জরিপের মাধ্যমে প্রজাদের সামর্থ্য অনুযায়ী কর নির্ধারণ করেন এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের শোষণ কমান। ১৭২২ সালে তিনি মালজামিনি প্রথা চালু করেন।
- তিনি ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং ইংরেজ, ফরাসি ও পারসিক ব্যবসায়ীদের উৎসাহ দেন, যার ফলে কলকাতা, চুঁচুড়া ও চন্দননগর বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। ১৭২৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
১৪) During the Liberation War, Barishal was included in which sector?
- Sector 8
- Sector 2
- Sector 10
- Sector 9
» সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন ৯ নং সেক্টর বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।
- এই সেক্টরে প্রায় বিশ হাজার মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করে।
- এই সেক্টরকে টাকি, হিঙ্গলগঞ্জ ও শমসেরনগর তিনটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- এই সেক্টরে নিয়মিত বাহিনীও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আক্রমণ পরিচালনা করে।
- ক্যাপ্টেন শাহজাহান ওমরের নেতৃত্বে এক বিশাল গেরিলা বাহিনী বরিশালে অভিযান করে।
- পটুয়াখালীতে একটি স্থায়ী ঘাটি থেকে ক্যাপ্টেন মেহদী আলী ইমাম আক্রমণ পরিচালনা করেন।
- লেফটেন্যান্ট জিয়া সুন্দরবন এলাকায় এক বিশাল বাহিনী পরিচালনা করেন।
- ক্যাপ্টেন হুদা নিয়মিত বাহিনীর এক বিশাল অংশ নিয়ে সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
- তিনি জুন মাসে শত্রুর উকশা সীমান্ত ঘাটি দখল করেন এবং বরাবর তা মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে থাকে।
- এই সেক্টরের বাহিনী দেভাতা ও শ্যামনগর থানা আক্রমণ করে দখল করে নেয়।
- নৌ-প্রহরার মাধ্যমে বরিশাল-পটুয়াখালীর নদী এলাকায় প্রাধান্য বিস্তার করা হয়। ডিসেম্বরে মাসে চূড়ান্ত আক্রমণের পূর্বে এই সেক্টরকে ৮ নং সেক্টরের সঙ্গে একীভূত করা হয় এবং এর দায়িত্ব অর্পিত হয় মেজর মঞ্জুরের উপর।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫) Who introduced the Permanent Settlement?
- Warren Hastings
- Lord Bentinck
- Lord Cornwallis
- Lord Ripon
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- কোম্পানির শাসন দুর্নীতিমুক্ত ও সুসংগঠিত করতে ১৭৮৬ সালে লর্ড কর্নওয়ালিসকে ভারতের গভর্নর জেনারেল ও সেনাপ্রধানের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়। তিনি ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বা স্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। ঐ বছর ২২শে মার্চ নির্দিষ্ট রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির ওপর স্থায়ী মালিকানা দান করে যে বন্দোবস্ত চালু করা হয়, তাকেই 'চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' বলা হয়।
» বৈশিষ্ট্য
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত জমিদারদের জমির স্থায়ী মালিকে পরিণত করে এবং জমিদাররা জমির মালিকানা স্বত্ব লাভ করে।
- রাজস্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেওয়ার ফলে নিয়মিত রাজস্ব প্রদানের বিনিময়ে জমিদার জমিদারি ভোগের চিরস্থায়ী অধিকার লাভ করে।
- এ প্রথা চালু হওয়ার ফলে জমিদারদের প্রশাসনিক ক্ষমতা বিলুপ্ত হয়। সরকার স্বয়ং শান্তি রক্ষা ও নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- খাজনা বাকি পড়লে জমিদারদের ভূমির কিছু অংশ বিক্রি করে রাজস্ব আদায় করার ব্যবস্থা ছিল।
- নতুন এক জমিদার শ্রেণী গড়ে ওঠে। যাদের সাথে প্রজাদের প্রায় সম্পর্ক ছিল না।
- এই জমিদার শ্রেণির অধিকাংশই ছিল উঠতি পুঁজিপতি। তারাই বৃিটিশ শাসনের অন্যতম প্রধান সমর্থক শ্রেণি ও ভিত্তি ছিলো।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
১৬) In which sector did Bir Sreshtho Mohiuddin Jahangir serve during the Liberation War?
- Sector 6
- Sector 7
- Sector 8
- Sector 9
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর :
» পরিচিতি ও জন্ম:
- বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ১৯৪৯ সালের ৭ মার্চ বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আব্দুল মোতালেব হাওলাদার ছিলেন কৃষক ও শৌখিন গাইয়ে এবং মাতা সাফিয়া বেগম ছিলেন গৃহিণী।
» শৈশব ও শিক্ষা:
- অর্থনৈতিক দুরবস্থার কারণে তিনি শৈশবে মামার বাড়ি মুলাদি উপজেলার পাতারচর গ্রামে চলে যান। ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষা জীবন শুরু হয়। তিনি ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
» ছাত্রজীবনের আগ্রহ:
- ছাত্রজীবনে তিনি দেশপ্রেমমূলক ও বিপ্লবী জীবনীমূলক বই পড়তে ভালোবাসতেন, যেমন— মাস্টারদা সূর্যসেন, ক্ষুদিরাম, তিতুমীর, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার প্রমুখ।
» সেনাবাহিনীতে যোগদান:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩ অক্টোবর তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে যোগ দেন। ১৯৬৮ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন লাভ করেন। তাঁর সেনা নম্বর ছিল PSS-10439।
» মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ:
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার সংবাদ পেয়ে তিনি ভারতে পালিয়ে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। তিনি ৭ নং সেক্টরের মহদিপুর সাব-সেক্টরে দায়িত্ব পালন করেন।
» যুদ্ধক্ষেত্রে বীরত্ব:
- তিনি আরগরাহাট, কানসাট, শাহপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং মুক্তাঞ্চল গড়ে তোলেন। তিনি নিজের বেতন থেকে মাত্র ২০ টাকা রেখে বাকি অর্থ শরণার্থীদের দান করতেন।
» শহীদত্ব:
- ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় পাকিস্তানি স্নাইপারের গুলিতে তিনি শহীদ হন। পরদিন তাকে সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করা হয়।
» স্বীকৃতি:
বাংলাদেশ সরকার তাঁর অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে “বীরশ্রেষ্ঠ” খেতাবে ভূষিত করে।
উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৭) Which Act ended British rule in India?
- Government of India Act 1935
- Indian Independence Act 1947
- Pitt’s India Act
- Regulating Act
ভারতীয় স্বাধীনতা আইন, ১৯৪৭
- ব্রিটিশরা তাদের 'ভাগ কর শাসন কর' নীতির মাধ্যমে ভারতবর্ষে তাদের শাসন প্রলম্বিত করলেও, শেষ পর্যন্ত তারা ঐক্যবদ্ধ ভারতের পক্ষে ছিল যার প্রমাণ ছিল মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা। কিন্তু কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের পরস্পর বিরোধী অবস্থান এ পরিকল্পনাকে অকার্যকর করে দেয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাড়তে থাকে।
- ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেনের নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালের ৩ জুন একটি পরিকল্পনা ঘোষিত হয়। এ পরিকল্পনার আলোকে ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই ভারতীয় স্বাধীনতা আইন পাস হয়। এই আইন অনুযায়ী ভারতবর্ষে প্রায় ১৯০ বছরের ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে।
» ভারতীয় স্বাধীনতা আইন ১৯৪৭ এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
১. এ আইনের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে দু'টি স্বাধীন রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের সৃষ্টি হয়। উভয় রাষ্ট্র ডোমিনিয়নের মর্যাদা লাভ করে।
২. এ আইনে বৃহৎ দু'টি প্রদেশ বাংলা ও পাঞ্জাবকে হিন্দু ও মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে বিভক্ত করে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত করার ব্যবস্থা করা হয়।
৩. এ আইন অনুযায়ী ভারত ও পাকিস্তান নিজ নিজ গণপরিষদ গঠন করবে এবং তাদের কাছে সংবিধান রচনার ক্ষমতা দেয়া হয়। আরো সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, সংবিধান রচনার পূর্ব পর্যন্ত এই দুই পরিষদ নিজ নিজ দেশের সার্বভৌম কেন্দ্রীয় আইন পরিষদ রূপে কাজ করবে।
৪. এ আইনের মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তান ব্রিটিশ কমনওয়েলথভুক্ত থাকবে কিনা সে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার পূর্ণ অধিকার দেয়া হয়।
৫. ১৯৪৭ সালের ভারতীয় স্বাধীনতা আইন ভারত সচিব পদ বিলুপ্ত করে।
৬. এ আইনের মাধ্যমে দেশীয় রাজ্যগুলোর হাতে নিজ অবস্থান সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়ার পূর্ণ অধিকার দেয়া হয়।
৭. এ আইনে ভারত সচিব কর্তৃক নিযুক্ত কর্মচারীগণকে ভারত ও পাকিস্তানের অধীনে চাকুরি করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার দেয়া হয়।
৮. ভারত ও পাকিস্তানের গণপরিষদ কর্তৃক নিজ নিজ দেশের সংবিধান রচিত না হওয়া পর্যন্ত নিম্নলিখিত সংশোধন ও পরিবর্তন সাপেক্ষে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকার পরিচালিত হবে।
(ক) মন্ত্রিপরিষদের পরামর্শ অনুযায়ী গভর্নর জেনারেল ও প্রাদেশিক গভর্নর তাদের সকল প্রকার কাজ পরিচালনা করবেন।
উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮) ‘March to Dhaka’ or ‘Dhaka Cholo’ programme was observed on which date?
- 3 August, 2024
- 1 August, 2024
- 2 August, 2024
- 5 August, 2024
• রাজধানী ঢাকাসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচীর একটি ’লং মার্চ টু ঢাকা’ ।
- ৫ আগস্ট ২০২৪ সে সময় কড়াকড়ি কারফিউ উপেক্ষা করে ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি সফল করতে হাজার হাজার মানুষ রাজধানী ঢাকার অভিমুখে পদযাত্রা করেন।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কারফিউ প্রত্যাখ্যান করে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা, গুলি ও হত্যার প্রতিবাদে ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি একদিন এগিয়ে এনে ৫ আগস্ট করার ঘোষণা দেয়।
- তখনকার সময় সংগঠনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে ভিডিও বার্তায় এ কর্মসূচী দেন।
উল্লেখ্য,
• বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পটভূমি:
- ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সাধারণ শিক্ষার্থীদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল ঘোষণায় পরিপত্র জারি করে।
- তখন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন করেছিলেন, সরকার সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়।
- কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ জুন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবরের কোটা বাতিল–সংক্রান্ত পরিপত্রটি অবৈধ ঘোষণা করেন।
- হাইকোর্টের এ ঘোষণার ফলে নতুনভাবে আবার এই আন্দোলন শুরু হয়।
- আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল, কোটার যৌক্তিক সংস্কার।
উৎস: প্রথম আলো এবং বাসস।
১৯) What reason did the British give as the main justification for the Partition of Bengal?
- Hindu-Muslim division
- To divide a large province for administrative convenience
- Increase indigo cultivation
- To increase British power
• বঙ্গভঙ্গের প্রধান কারণ হিসেবে ব্রিটিশরা কী যুক্তি দিয়েছিল: প্রশাসনিক সুবিধার্থে বিশাল প্রদেশ ভাগ করা।
» বঙ্গভঙ্গের প্রশাসনিক কারণ:
- লর্ড কার্জনের শাসনামলে বঙ্গভঙ্গ ছিল একটি প্রশাসনিক সংস্কার। উপমহাদেশের এক-তৃতীয়াংশ লোকের বসবাস ছিল বাংলা প্রেসিডেন্সিতে। কোলকাতা থেকে বাংলার পূর্বাংশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শাসনকার্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা ছিল কঠিন কাজ। যে কারণে লর্ড কার্জন গোটা বাংলা অঞ্চলকে একটি প্রশাসনিক ইউনিটে রাখা যুক্তিসংগত মনে করেননি। তাই ১৯০৩ সালে বাংলা প্রদেশকে ভাগ করার পরিকল্পনা করেন এবং ১৯০৫ সালে তা কার্যকর হয়।
• বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫-১৯১১ সালে):
- ভারতের বড় লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- পূর্ব বঙ্গের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগের সাথে জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা, মালদাহ ও আসামকে যুক্ত করে পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ নামে একটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়।
- নতুন প্রদেশের রাজধানী করা হয় ঢাকা এবং অনুসঙ্গী সদর দপ্তর চট্টগ্রামে।
অন্য দিকে -
- পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে আরেকটি প্রদেশ হয়।
- এর নামকরণ করা হয় বাংলা প্রদেশ।
- বাংলা প্রদেশের রাজধানী করা হয় কলকাতা।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
২০) What was the one-point demand of the Anti-Discrimination Student Movement in 2024?
- Reform of the quota system
- Dissolution of Parliament
- Judicial investigation
- Resignation of the government
- সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
- রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে হাজার হাজার মানুষের সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম এ ঘোষণা দেন।
• বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন:
- বাংলাদেশে গণআন্দোলন গড়ে তোলার মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটানোর ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে শিক্ষার্থীদের সংগঠন 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন'।
- সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে ১ জুলাই, ২০২৪ তারিখে গঠিত হয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
⇒ সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের ২০১৮ সালের প্রজ্ঞাপন ৫ জুন, ২০২৪ হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করলে তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে অসন্তোষের শুরু হয়।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ১ জুলাই, ২০২৪ থেকে তাদের আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- শুরুতে এ আন্দোলন অহিংস ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেপরোয়া হলে ১৫ জুলাই, ২০২৪ আন্দোলন সহিংস রূপ নেয়, যার শেষ পরিণতি ঘটে ৫ আগস্ট, ২০২৪ পতন ঘটে দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের কর্তৃত্ববাদী সরকার শেখ হাসিনার।
উৎস:
i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
২১) Who is famous for building the Bamboo Fort (Bansher Kella)?
- Majnu Shah
- Bhawani Pathak
- Titumir
- Dudu Miyan
- ইতিহাসে এটিই ‘বাঁশের কেল্লা’ বা ‘নারিকেলবাড়িয়া বাঁশের কেল্লা’ নামে চিহ্নিত হয়ে আছে।
- ব্রিটিশ শক্তিকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে একটি বিপ্লবী কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য বাংলার সন্তান মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর ও তাঁর অনুসারীরা এই কেল্লা নির্মাণ করেন।
- বাঁশের কেল্লায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিরাট বাহিনী ছিল স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও সংগ্রামী চেতনায় উদ্দীপ্ত।
- তারা তিতুমীরের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা স্থাপন করে।
- ১৮৩১ সালের ১৪ নভেম্বর ইংরেজ বাহিনী মুজাহিদদের উপর আক্রমণ চালায়।
- তাঁদের সাধারণ তলোয়ার ও হালকা অস্ত্র নিয়ে তিতুমীর ও তাঁর সেনারা ব্রিটিশ সেনাদের আধুনিক অস্ত্রের সামনে দাঁড়াতে পারেননি।
- সেই যুদ্ধে তিতুমীর শহীদ হন।
- পাশাপাশি ১৮৩১ সালের ১৭ নভেম্বর বাঁশের কেল্লাটিকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
২২) On how many points was the election manifesto of the United Front based?
- 6 points
- 11 points
- 12 points
- 21 points
যুক্তফ্রন্ট এবং ২১ দফা কর্মসূচি
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে সদ্য প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলো মুসলিম লীগকে পরাজিত করার কৌশল হিসেবে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করার পরিকল্পনা নেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর মুসলিম লীগ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সমন্বয়ে 'যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
যুক্তফ্রন্ট মূলত পাঁচটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
১. মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ,
২. শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের কৃষক-শ্রমিক পার্টি,
৩. মওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম পার্টি,
৪. হাজী দানেশের বামপন্থি গণতন্ত্রী দল ও
৫. খিলাফত-ই-রাব্বানি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- পূর্ব বাংলার গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে প্রণীত এই ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
২৩) Which was the capital of the province of Bengal during the Mauryan period?
- Tamralipta
- Karnasuvarna
- Pundranagara
- Samatata
মৌর্য সাম্রাজ্য
- ৩২১ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ভারতের এক বিশাল অঞ্চলের ওপর মৌর্য বংশের শাসন চালু করেন।
- বাংলার উত্তরাংশে মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (২৬৯-২৩২ খ্রিষ্টপূর্ব)।
- বাংলা তখন মৌর্যদের একটি প্রদেশে পরিণত হয়েছিল।
- প্রাচীন পুণ্ড্রনগর ছিল এ প্রদেশের রাজধানী।
- উত্তর বঙ্গ ছাড়াও মৌর্য শাসন কর্ণসুবর্ণ (মুর্শিদাবাদ), তাম্রলিপ্তি (বর্তমান পশ্চিম বঙ্গের তমলুক জেলা) ও সমতট (দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা) অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মৌর্যরাই ছিল ভারতের প্রথম শক্তিশালী সাম্রাজ্য।
অন্যদিকে,
• হরিকেলের দক্ষিণে অবস্থিত ছিল তাভ্রলিপ্তি জনপদ। বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুকই ছিল তান্দ্রলিপ্তির প্রাণকেন্দ্র।
• কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
• সমতট হল প্রাচীন জনপদ যা বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
২৪) On which date was the “All-Party Central State Language Action Committee” formed?
- 2 March 1948
- 31 January 1952
- 21 February 1952
- 7 May 1954
• ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’:
- ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় গঠিত হয় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব।
- ৪০সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
এছাড় ও
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ পুনর্গঠন করা হয় (এটি দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ নামেও পরিচিত) এবং আহ্বায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।
উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, HSC Programme, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
২৫) Which ancient Janapada was located in the present-day 'Bogura' region of Bengal?
- Harikela
- Pundra
- Vanga
- Samatata
পুণ্ড্র :
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র।
- খুব সম্ভবত পুণ্ড্র বলে একটি জনগোষ্ঠী এ জনপদ গড়ে তুলেছিল। বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর এলাকা নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। পরবর্তীকালে এর নাম হয় মহাস্থানগড়।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ নগরসভ্যতা।
- পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি এখানে পাওয়া যায়। লিপিটির নাম মহাস্থান ব্রাহ্মীলিপি। ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে প্রাপ্ত এটিই প্রাচীনতম শিলালিপি।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম শ্রেণি।








